On women (part 01)
টপিক
পর্ব এক
১। পুরুষদের দৃষ্টি নিচু করা।
৩। স্বামী-স্ত্রীর একে অপরের উপরে অনুরুপ অধিকার রয়েছে।
৪। পূন্যবতী তালাকপ্রাপ্তা প্রাক্তন স্বামীর ঘরে ইদ্দাহ পালন করবে।
৫। স্ত্রীদের মাহর দিতে হবে আন্তরিকভাবে।
৬। পিতাকে সন্তান মায়ের খাদ্যের খরচ দিতে বাধ্য।
১০। নারীরা নিজ হাতে উপার্জন করতেন
১২। স্বামীর পারিবারিক কাজ করা
১৪। মসজিদে যেতে বাধা না দেওয়া।
২৮। Women are but counterparts of men.
৩৪। স্ত্রীদের নিকটে উত্তম হওয়া।
৩৫। মেয়েদের মসজিদে ইতিকাফ জায়েজ।
৩৯। Be kind to women.
৪৯। সমতা (কুফু) বিবচেনায় বিবাহ করো,
৫৬। হাদিয়া দানের ক্ষেত্রে নারীকে প্রাধান্য।
পর্ব দুই
২। অধিক সন্তান কামনায় উৎসাহিত করা।
৭। অধিক সন্তান কামনায় উৎসাহিত করা
৮। নারী তার স্বামীর গৃহ ও সন্তানের তত্ত্বাবধায়ক
৯। স্বামীর সম্পদের হেফাজতকারী মহিলারা উত্তম।
১১। পুরুষ তার পরিবার-পরিজনদের তত্ত্বাবধায়ক।
১৩। পুরুষ সাহাবাদের আত্মমর্যাদা
১৫। ব্যতিক্রম নিয়ম প্রমান করে
১৬। নারীদের হজ্জকে পুরুষের জিহাদের সাথে তুলনা করা
১৭। অধিকাংশ জাহান্নামবাসী হল নারী।
১৮। স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞতা জাহান্নামী হওয়ার কারন।
১৯। মেয়েরা পাঁজরের হাড় থেকে তৈরি
২০। নারীদের কারন ছাড়া তালাক চাওয়া কবীরা গুনাহ।
২১। আয়িশার অন্য মহিলাদের কাজকর্মের সমালোচনা।
২২। পোশাক পরা সত্ত্বেও মহিলাদের নগ্ন বলা।।
২৩। বিয়ে হল দাসত্ব
২৪। অপছন্দীয় ব্যক্তিকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া যাবে না।
২৫। বৌ পিটানো
২৬। উম্মাতুল মুমিনিনদের হিজাব
২৭। পাবলিকে নারীদের সুগন্ধী ব্যবহার
২৯। উমর কর্তৃক আবু সালামার স্ত্রীকে প্রহার
ক) আবদুল্লাহ্ বিন মাস’উদ এর মিসোজিনিস্ট ভাষা। লল]
৩০। অনুমতি থাকলে স্ত্রীদের স্বামীকে সিজদাহ দিতে হত।
৩১। স্বামীর আনুগত্য করলে জান্নাত।
৩২। নারীদের জন্য শেষের কাতার উত্তম।
৩৩। স্বামীর অনুপস্থিতে মহিলাদের কাছে যাওয়া নিষেধ।
৩৬। উটের পিঠে সেক্স
৩৭। স্বামীর অধিকার পুরন ছাড়া আল্লাহর অধিকার পুরন সম্ভব না।
৩৮। নন মাহরাম মহিলাদের সাথে একাকি না থাকা
৪০। মিলিত না হলে ফিরিশতারা অভিশাপ দেন।
৪১। স্বামীর অনুমতি ছাড়া নফল সিয়াম পালন
৪২। বিয়ে করা সুন্নাহ।
৪৩। সেলিবেসি হারাম
৪৪। কুমারী মেয়েকে বিবাহ কর কারন তারা অল্প সন্তুষ্ট হয়।
৪৫। বেশি সন্তান নেওয়া আদেশ
৪৬। স্বামী তার সাথে সহবাস করলে তাতে সে মাহরের অধিকারী হবে।
৪৭। স্বউদ্যোগে বিবাহ করে সে যেনাকারিণী।
৪৮। Keeping four wives
৫০। পরচুলা হারাম
৫১। স্ত্রী স্বামীকে কষ্ট দিলে হুরেরা অনুযোগ করে
৫২। স্বামীর আনুগত্য করা
৫৩। দুনিয়ার উপভোগের বস্তুসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো পূণ্যবতী স্ত্রী।
৫৪। নারীরা শস্যক্ষেত
৫৫। তবে তাদের জন্য তাদের ঘরসমূহে অবস্থান করাটাই অধিক উত্তম।
৫৭। No woman should travel without a mahram.
৫৮। নারীরা হলো গোপনীয় বস্তু
০১
[পুরুষদের নিজের দৃষ্টি নিচু করতে হবে]
"Tell the believing men to lower their gaze from looking at forbidden things, and protect their private parts from illegal sexual acts. That is purer for them. Verily, Allaah is All-Aware of what they do." [Quran 24:30]
০২
[স্বামীর উপরে নারীদের তাদের অনুরুপ ও যৌক্তিক হক্ব রয়েছে]
"And due to the wives is similar to what is expected of them, according to what is reasonable." [Quran 2:228]
ভিন্ন অনুবাদ: “And they (women) have rights (over their husbands as regards living expenses) similar (to those of their husbands) over them (as regards obedience and respect) to what is reasonable, but men have a degree (of responsibility) over them.” [al-Baqarah 2:228]
"But if they obey you [once more], seek no means against them. Indeed, Allah is ever Exalted and Grand." [Quran 4:34]
০৩
[পূন্যবতী তালাকপ্রাপ্তা প্রাক্তন স্বামীর ঘরে ইদ্দাহ পালন করবে]
“O Prophet! When you divorce women, divorce them at their ‘Iddah (prescribed periods) and count (accurately) their ‘Iddah (periods). And fear Allah your Lord (O Muslims). And turn them not out of their (husband’s) homes nor shall they (themselves) leave, except in case they are guilty of some open illegal sexual intercourse. And those are the set limits of Allah. And whosoever transgresses the set limits of Allah, then indeed he has wronged himself” [al-Talaaq 65:1]
০৪
[স্ত্রীদের মাহর দিতে হবে আন্তরিকভাবে]
“And give to the women (whom you marry) their Mahr with a good heart.” [al-Nisa 4:4]
“There is no sin on you, if you divorce women while yet you have not touched (had sexual relation with) them, nor appointed unto them their Mahr.” [al-Baqarah 2:236]
০৫
[পিতাকে সন্তান মায়ের খাদ্যের খরচ দিতে বাধ্য]
“but the father of the child shall bear the cost of the mother’s food and clothing on a reasonable basis.” [al-Baqarah 2:233]
০৬
[নারীরা নিজ হাতে উপার্জন করতেন]
"উম্মুল মুমিনীন আয়েশা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমাদের মধ্যে দীর্ঘ হাতের ... অধিকারিনী ছিলেন যয়নাব বিনতে জাহাশ। কারণ তিনি নিজ হাতে কাজ করে উপার্জন করতেন এবং দান করতেন।” (সহী মুসলিম, সাহাবাদের মর্যাদাবলী অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: উম্মুল মুমিনীন যয়নাব রাদিয়াল্লাহু আনহার মর্যাদা, ৭ খন্ড, ১৪৪ পৃষ্ঠা।)
"আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, ... দীনের ব্যাপারে যয়নাব (বিনতে জাহশ)-এর চাইতে উত্তম কোন নারী আমি দেখিনি। তিনি সর্বাধিক খোদাভীরু, সত্যবাক, আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষাকারিনী ও সাদকা দাতা ছিলেন এবং নিজেকে অধিক মাত্রায় এমন কাজে নিয়োজিত রাখতেন যার উপার্জন থেকে দান করতেন এবং তার সাহায্যে আল্লাহর নৈকট্য লাভে প্রয়াসী থাকতেন।" (সহী মুসলিম, সাহাবাদের মর্যাদাবলী অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার মর্যাদা, ৭ খন্ড, ১৩৬ পৃষ্ঠা।)
"জাবের ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমার খালাকে তালাক দেয়া হলে তিনি তার খেজুর বাগানে গিয়ে খেজুর আহরণ করতে মনস্থ করলেন। কিন্তু এক ব্যক্তি তাকে' ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করলো। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে বিষয়টি বললে তিনি বললেন, তুমি বরং তোমার বাগান থেকে খেজুর সংগ্রহ করো। কেননা তুমি হয়তো তা দান করবে কিংবা কোন কল্যাণকর কাজে ব্যয় করবে।” (মুসলিম) সহী মুসলিম, তালাক অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: বায়েন তালাকপ্রাপ্তা ইদ্দত পালনকারিনীর বাইরে গমন, ৪ খন্ড, ২০০ পৃষ্ঠা।
"আসওয়াদ ইবনে ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাড়িতে কি কাজ করতেন? তিনি বললেন, তিনি পারিবারিক কাজে সাহায্য করতেন এবং আযান হলে বেরিয়ে যেতেন। (বুখারী) সহী বুখারী, ভরণ-পোষণ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: ঘর-কন্নার কাজে স্বামীর সাহায্য-সহযোগিতা, ১১ খন্ড, ৪৩৫ পৃষ্ঠা।
[বিত্তবান ও দরিদ্র উভয়েই স্ত্রীদের উপর ব্যয় করতে বাধ্য সাধ্যানুযায়ী]
“Let the rich man spend according to his means; and the man whose resources are restricted, let him spend according to what Allah has given him.” [al-Talaq 65:7]
“Lodge them (the divorced women) where you dwell, according to your means.” [al-Talaq 65:6]
“…and live with them honourably.” [al-Nisa 4:19]
“Men are the protectors and maintainers of women, because Allah has made one of them to excel the other, and because they spend (to support them) from their means.” [al-Nisa 4:34]
[মহিলাদের মসজিদে সালাত জায়েজ]
আতেকা বিনতে যায়েদ (রা) তাঁর স্বামীর অসন্তুষ্টি সত্ত্বেও মসজিদে গিয়ে জামায়াতের সাথে সালাত আদায়ের অধিকার অক্ষুন্ন রাখেন
"আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) তাঁকে বললেন: তুমি কেন ফজর ও এশার নামায পড়ার জন্য মসজিদে যাও? অথচ তুমি জান যে, উমর (রা) এটা অপছন্দ করেন এবং এটা তাঁর আত্মমর্যাদায় বাধে। তিনি বললেন: উমর (রা) নিজে আমাকে নিষেধ করছে না কেন? ইবনে উমর (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (স)-এর এ বাণীর কারণেই তিনি কিছু বলছেন না যে, "তোমরা আল্লাহরদাসীদের মসজিদে যেতে বাধা দিয়ো না।” (বুখারী)'
"প্রখ্যাত মুহাদ্দিস আবদুর রায্যাকের সূত্রে বর্ণিত অপর এক বর্ণনায় রয়েছে যে, আতেকা উমর (রা)-কে বলেছিলেন, আপনি নিজে আমাকে নিষেধ না করা পর্যন্ত আমি এ থেকে বিরত হবো না। ইমাম যুহরী বলেছেন, হযরত উমর (রা) যখন আততায়ীর আক্রমণে আহত হয়েছিলেন, সে সময় আতেকা মসজিদেই ছিলেন।" ফতহুল বারী: ৩ খন্ড, ৩৪ পৃষ্ঠা।
"হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: আল্লাহর দাসীদেরকে আল্লাহর মসজিদে আসতে বাধা দিয়োনা।” (বুখারী ও মুসলিম) সহী বুখারী: জুময়া অধ্যায়, যে জুময়ার নামায পাবেনা তার জন্য গোসল আবশ্যক হবে কিঅ নুচ্ছেদ, ৩ খন্ড, ৩৪ পৃষ্ঠা। সহী মুসলিম সালাত অধ্যায়, ফিতনার আশংকা না থাকলেম হিলাদের মসজিদে গমন অনুচ্ছেদ, ২য় খন্ড, ৩২ পৃষ্ঠা।
"হযরত সালেম ইবনে আব্দুল্লাহ তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি রসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের মেয়েরা যখন তোমাদের কাছে মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায়, তখন তোমরা তাদের বাধা দিয়ো না। একথা শুনে বিল্লাল ইবনে আবদুল্লাহ বলেন, আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই তাদেরকে বাধা দিব। (অন্য বর্ণনায় রয়েছে: আমি তাদেরকে বের হতে দেব না। কারণ, এর দ্বারা তারা তাদের স্বামীদেরকে ধোকা দেয়ার সুযোগ পাবে।) সালেম বলেন, তখন আমার পিতা আবদুল্লাহ বিলালকে এত গালমন্দ করলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীস বর্ণনা করছি আর তুমি বলছ কিনা আল্লাহর শপথ! আমি তাদেরকে বাধা দেব।” (মুসলিম) সহী মুসলিম: নামায অধ্যায়, ফিতনার আশংক না থাকলে মহিলাদের মসজিদে গমন অনুচ্ছেদ, ২ খন্ড, ৩২ পৃষ্ঠা।
উপরোক্ত বর্ণনা থেকে একথা বুঝা যায় যে, কোন কোন তাবেয়ীর পক্ষ থেকে মহিলাদের মসজিদে আসার ব্যাপারে নতুন ভাবে বাধার সৃষ্টি করা হয়েছিল। আর রসূলুল্লাহ (স)-এর বিশিষ্ট সাহাবীর পক্ষ থেকে তার প্রতিবাদ করা হয়েছে। এ ঘটনা লোকদেরকে সত্যের দিকে ফিরে আসতে সাহায্য করেছে।
Do not prevent wives to go to Masjid.
Prophet (pbuh) said: "If any of your wives asks you to let her go out to the mosque, do not prevent her." (Bukhari)
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “তোমরা আল্লাহর বান্দীদেরকে আল্লাহর মাসজিদসমূহে যেতে বাধা প্রদান করো না, তবে তাদের জন্য তাদের ঘরসমূহে অবস্থান করাটাই অধিক উত্তম।” সহীহ বুখারী ও আবু দাউদ।
Women are but counterparts of men.
‘Aa’ishah (ra) with her narrated that the Prophet (pbuh) said, “Women are but counterparts of men.” [Ahmad, Abu Dawood, At-Tirmithi]
[Be best to your wives.]
The Prophet (pbuh) said: "The best among you are the best to their wives, and I am the best to my wives." [Al-Tirmithi and Ibn Maajah]
[নারীদের সাথে উত্তম ব্যবহার]
আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “তোমরা নারীদের সাথে উত্তম ব্যবহারের নসীহত গ্রহণ কর।” সহীহ বুখারী, হাদীস নং- ৪৮৯০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৩৭২০
.
[Be best to your family.]
The Messenger of Allah (pbuh) said: “The best of you is the one who is best towards his family; and I am the best of you towards my family.” Classed as saheeh by al-Albaani in al-Silsilah al-Saheehah, 285."
.
[Women can perform Itikaf in Masjid.]
"The Prophet used to perform Itikaf in the last ten days of Ramadan and his wives did the same thing after his death". [Al Bukhari].
.
Be kind to women.
Abu Hurayrah (ra) said: “The Messenger of Allah (pbuh) said: ‘Be kind to women.’”(Narrated by al-Bukhari, 3153; Muslim, 1468).
.
No harming nor reciprocating harm.
‘Ubadah ibn al-Samit narrated that the Messenger of Allah (pbuh) ruled, “There should be no harming nor reciprocating harm.” (Narrated by Ibn Majah,, 2340) This hadith was classed as sahih by Imam Ahmad, al-Hakim, Ibn al-Salah and others. See Khulasat al-Badr al-Munir, 2/438.
.
Rights of wives over man.
It was narrated that Mu‘awiyah al-Qushayri (may Allah be pleased with him) said: I said: O Messenger of Allah, what are the rights of the wife of one of us over him? He said: “That you feed her as you feed yourself, clothe her as you clothe yourself, do not strike the face, do not disgrace her and if you want to shun her (by way of disciplining her) do not leave home.”
Narrated by Abu Dawood (2142) and Ibn Majah (1850); classed as saheeh by al-Albani in Saheeh Abi Dawood.
মুআবিযা বিন হাইদাহ (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলো, স্বামীর উপর স্ত্রীর কী অধিকার রয়েছে? তিনি বলেনঃ সে আহার করলে তাকেও (একই মানের) আহার করাবে, সে পরিধান করলে তাকেও একই মানের পোশাক পরিধান করাবে (অথবা তোমাদের ভরণপোষণের সাথে তাদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করবে এবং তোমাদের পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যবস্থা করার সাথে তাদের পোশাক পরিচ্ছেদেরও ব্যবস্থা করবে)। কখনও তার মুখমন্ডলে আঘাত করবে না, অশ্লীল গালমন্দ করবে না এবং নিজ বাড়ি ছাড়া অন্যত্র তাকে একাকী ত্যাগ করবে না। (ইবনে মাজাহ, ১৮৫০; আবূ দাউদ ২১৪২, ইরওয়াহ ২০৩, মিশকাত ৩২২৯, সহীহ আবী দাউদ ১৮৫৮-১৮৬১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।)
It was narrated from Hakim bin Muawiyah, from his father, that: a man asked the Prophet (pbuh): “What are the right of the woman over her husband?” He said: “That he should feed her as he feeds himself and clothe her as he clothes himself; he should not strike her on the face nor disfigure her, and he should not abandon her except in the house (as a form of discipline).”
.
[কুফু]
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম মহিলা গ্রহণ করো এবং সমতা (কুফু) বিবচেনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখো। ইবনে মাজাহ ১৯৬৮
It was narrated from 'Aishah: that the Messenger of Allah said: "Choose the best for your sperm, and marry compatible women and propose marriage to them."'
সহীহাহ ১০৬৭। তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী হারিস বিন ইমরান আল-জা'ফারী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার রেওায়াতে তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী তাকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। ইমাম যাহাবী তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১০৩৫, ৫/২৬ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি হাসান কিন্তু হারিস বিন ইমরান আল-জা'ফারী এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৬ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে। তন্মধ্যে ১ টি দুর্বল, ৫ টি হাসান হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ দারাকুতনী ৩৭৪৬, আল-ফাওয়ায়িদ ১৫২৭, কিতাবুল ইয়াল ১৩০। ১৩১ ইত্যাদি।
.
.
পর্ব দুই
.
০১
[অধিক সন্তান কামনায় উৎসাহিত করা]
"জাবের থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হে জাবের, সন্তান কামনা করো, সন্তান কামনা করো!” (বুখারী ও মুসলিম)
রসূলুল্লাহ বলেছেন, "তোমারা অধিক স্নেহশীলা ও সন্তান উৎপাদনকারী মহিলাকে বিয়ে করো। আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্যে গর্ব করবো।” (সহীহ সুনানে আন নাসায়ী, বিবাহ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: বন্ধ্যা নারীকে বিয়ে করা অপসন্দনীয়, হাদীস নং ৩০২৬, ২ খন্ড, ৩৮০ পৃষ্ঠা)
০২
[নারী তার পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক]
"আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, ... নারী তার স্বামীর ঘর ও সন্তানের তত্ত্বাবধায়ক। সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে।”
(বুখারী ও মুসলিম) (সহী বুখারী, দাসমুক্তি অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: দাসদাসীদের গায়ে হাত তোলা মন্দ কাজ, ৬ খন্ড, ১০৬ পৃষ্ঠা। সহী মুসলিম, নেতৃত্ব অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: ন্যায় বিচারক শাসকের মর্যাদা ও জালেমকে শাস্তি দেয়া, ৬ খন্ড, ৮ পৃষ্ঠা।)
.
"আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছন, আর পুরুষ তার পরিবার-পরিজনদের তত্ত্বাবধায়ক। সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে।" (বুখারী ও মুসলিম) ৬৮
"নারী তার স্বামীর পরিবারের সবার তত্ত্বাবধায়িকা। সেই তাদের ব্যাপারে দায়িত্বশীল।" ২৮
০৩
[স্বামীর সম্পদের হেফাজতকারী মহিলারা উত্তম]
"আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, উটের পিঠে আরোহণকারিনী আরব মহিলাদের মধ্যে কুরাইশ মহিলারাই উত্তম, যারা নিজেদের ছোট ছোট বাচ্চার প্রতি অধিকতর স্নেহশীলা ও স্বামীর সম্পদের হিফাজতকারিনী।" (সহী বুখারী, ভরণ-পোষণ ব্যয় অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অর্থ-সম্পদ সংরক্ষণ এবং সাংসারিক ব্যয়, ১১ খন্ড, ৪৪০ পৃষ্ঠা।)
০৪
[নারির সৌন্দর্য ঢাকা]
“(হে নবী!) ঈমানদার নারীদেরকে বল: তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করে, তারা যেন যা সাধারণত; প্রকাশ থাকে তা ব্যতীত তাদের শোভা প্রদর্শন না করে, তাদের গলদেশ ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত করে, তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা (দাদা-নানাসহ), শশুর (দাদা শশুর-নানা শশুরসহ), পুত্র (ও নাতি), স্বামীর পুত্র (নাতিসহ), ভাই (সহোদর ও সৎভাই), ভাতিজা, ভাগ্নে, আপন (মুসলিম) নারীগণ, তাদের মালিকানাধীন দাস- দাসী, এমন অধিনস্থ পুরুষ যাদের মধ্যে পৌরুষত্ব বিলুপ্ত এবং নারীদের গোপন অঙ্গ সম্বন্ধে অজ্ঞ বালক ব্যতীত কারো নিকট তাদের শোভা প্রকাশ না করে। তারা যেন সজোরে পদক্ষেপ না নেয় যাতে তাদের গোপন শোভা প্রকাশ পায়। হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩১]
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আল্লাহ প্রথম পর্যায়ের হিজরতকারী মহিলাদের প্রতি অনুগ্রহ করুন: যখন আল্লাহ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন:
﴿وَلۡيَضۡرِبۡنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّ﴾ [النور: ٣١]
“(তাদের গলদেশ ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপড় দ্বারা আবৃত করে) সাথে সাথে তারা স্বীয় চাদরসমূহ চিরে টুকরা করে তা দ্বারা আবৃত করেন।” (সহীহ বুখারী)
“আর এমন বৃদ্ধ নারীগণ যারা বিবাহের আশা রাখে না, তাদের জন্য দোষ নেই যদি তারা তাদের শোভা প্রদর্শন না করে তাদের (বাহ্যিক অতিরিক্ত চাদর উড়না) বস্ত্র খুলে রাখে, তবে সংযমী হয়ে বিরত থাকলে তা তাদের জন্য উত্তম। আল্লাহ সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ।” [সূরা আন-নূর, আয়াত: ৬০]
“হে নবী তুমি তোমার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মুমিনদের নারীগণকে বল, তারা যেন তাদের উড়না বা চাদরের কিছু অংশ নিজেদের (চেহারা ও বুকের) উপর টেনে দেয়, এতে তাদের চেনা সহজতর হবে, (বুঝা যাবে যে তারা স্বাধীন ও সম্ভ্রান্ত) ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৫৯]
“আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে, প্রাচীন জাহেলী যুগের মতো তোমরা সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বেড়াবে না।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৩]
“আর যখন তোমরা তাদের নিকট কিছু চাইবে পর্দার অন্তরাল থেকে চাইবে, এ বিধান তোমাদের ও তাদের হৃদয়ের জন্য অধিকতর পবিত্র।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৫৩]
“হে নবী! তুমি তোমার স্ত্রী, কন্যাগণকে ও মুমিনদের নারীগণকে বল: তারা যেন তাদের ওড়না বা চাদরের কিছু অংশ নিজেদের (চেহারা ও বুকের) উপর টেনে দেয়।” [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৫৯]
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি অহংকারবশতঃ স্বীয় কাপড় টাখনুর নিচে রাখলো কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না। অতঃপর উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, তবে মহিলারা তাদের নিম্নাংশের ঝালরের ব্যাপারে কী করবে? তিনি বলেন, এক বিঘত (গোছার নিচে) ঝুলিয়ে দিবে, উম্মে সালামা বলেন, তবে এতে তাদের পা বেরিয়ে থাকবে, তিনি বলেন, তবে তা (গোছার নিচে) এক হাত ঝুলিয়ে দিবে এর বেশি করবে না।” (আবু দাউদ ও তিরমিযী এবং তিনি বলেন, হাদীসটি হাসান-সহীহ)।
আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন:
“আল্লাহর কিতাবের প্রতি প্রচণ্ড সমর্থন ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে আমি আনসার নারীদের চেয়ে উত্তম আর কাউকে দেখিনি। সূরা আন-নূরের আয়াত নাযিল হল: “আর তারা তাদের গলা ও বুক যেন মাথার কাপড় দ্বারা ঢেকে রাখে”। অতঃপর পুরুষগণ আল্লাহ তা‘আলা তাদের ওপর যা নাযিল করেছেন, তা তাদের (নারীদের) নিকট তিলাওয়াত করতে থাকে, পুরুষ ব্যক্তি তার স্ত্রী, কন্যা, বোন ও প্রত্যেক নিকটাত্মীয়কে তা তিলাওয়াত করে শুনায়। অতঃপর যে কোনো নারীই তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বের হলে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কিতাবে যা নাযিল করেছেন, তার প্রতি তার সমর্থন ও ঈমানের কারণে সে ওড়না পরিধান করত।” তাফসীরু ইবন কাসীর।
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।
০৫
[শেষের কাতার মহিলাদের জন্য]
"হযরত উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (স) সালাম ফিরিয়ে কিছুক্ষণ বসতেন। তাঁর উঠে আসার পূর্বেই মহিলারা বেরিয়ে যেত। প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইবনে শিহাব (রা) বলেন: আল্লাহই ভাল জানেন, তবে আমার মনে হয়, পুরুষদের বেরিয়ে আসার পূর্বেই যাতে মহিলারা বের হতে পারে সে জন্যই তিনি এমনটি করতেন। (বুখারী) ৪১
"হযরত হাফসা বিনতে সীরীন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমরা যুবতীদেরকে ঈদের দিনে বের হতে নিষেধ করতাম...। এরপর উম্মু আতিয়া (রা) আগমন করলে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম যে, এ ব্যাপারে আপনি কি রসূল (স)-কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি- "যুবতীরা এবং পর্দানশীন মেয়েরা ঈদের দিনে বাড়ি থেকে বের হতে পারবে।" অপর এক বর্ণনায় আছে: ১২ ঈদের দিনে আমাদের বাড়ির বাইরে যেতে আদেশ করা হতো, এমন কি আমরা যুবতীদেরকে পর্দার আড়াল থেকে বের করে দিতাম।” (বুখারী). সহী বুখারী: হায়েয অধ্যায়, দুই ঈদে ঋতুবতী মেয়েদের উপস্থিত হওয়া, এবং মুসলমানদের সমাবেশে শামিল হওয়া এবং মুসল্লী হতে পৃথক অবস্থান করা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ, ১ খন্ড, ৪৩৯ পৃষ্ঠা।
It is also reported in an authentic narration that he, (pbuh), said: "The best rows for men are the first rows, and the worst rows for them are the last rows, and the best rows for women are the last rows and the worst rows for them are the first rows".
“নারীদের সর্বোত্তম সারি বা কাতার হলো শেষ কাতার এবং সবচেয়ে মন্দ কাতার হলো তাদের প্রথম কাতার।” ইবন মাজাহ, হাদীস নং- ১০০০। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
হাদীসে বলা হয়েছে: "নারী হচ্ছে গোপন অংশ, যখন সে বাইরে বের হয় শয়তান তাকে জন-সমক্ষে তুলে ধরে"। (বুখারী) ৭১
"মেয়েরা যখন বাইরে বের হয়, তখন শয়তানের চেহারা ধারণ করে এবং যখন ফিরে যায়, তখনো শয়তানের চেহারা ধারণ করে"। ৭৩
ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেন, “নারীরা হলো গোপনীয় বস্তু।” (তিরমিযী এবং এটিকে আলাবনী সহীহ বলেছেন)
০৭
[নারীদের জিহাদ হল হজ্জ]
হযরত আয়েশা (রা) বর্ণিত হাদীসঃ "আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! মেয়েদের উপর কি জিহাদ ফরয? জবাব দিলেন হাঁ, মেয়েদের উপরও জিহাদ ফরয, তবে সে জিহাদে হত্যাকান্ড নেই। সেটি হচ্ছে হজ্জ ও ওমরা।” (ইবনে মাজাহ) ৬২
"হে আল্লাহর রসূল! আমরা মহিলারা কি আপনাদের সাথে জিহাদে অংশগ্রহণ করবো না? (অপর এক বর্ণনায় এসেছে, আয়েশা (রা) বলেন: আমরা জিহাদকে সর্বোত্তম দীনী কাজ বলে মনে করি।)" জবাবে রসূল (স) বলেন, তোমাদের জন্য সর্বোত্তম জিহাদ হলো হজ্জে মাবরুর অর্থাৎ আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্য হজ্জ। তারপর আয়েশা (রা) বলেন: একথা যখনই আমি আল্লাহর রসূল (স)-এর কাছ থেকে শুনলাম, তখন পরবর্তী কোন বছরের হজ্জই বাদ দেব না। "১৬
০৮
[অধিকাংশ জাহান্নামবাসী হল নারী]
Al-Bukhaari and Muslim narrated that the Messenger of Allah (saw) said: “O women give charity and seek forgiveness as much as possible, as I have seen you as the most of the people of Hellfire.” A woman among them said, “O Messenger of Allah, why is it that we are the most people of Hellfire.” He said: “You curse much and you are ungrateful to the favors of your husbands.”
০৯
[স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞতা জাহান্নামী হওয়ার কারন]
Messenger of Allah (saw) said: “O women give charity and seek forgiveness as much as possible, as I have seen you as the most of the people of Hellfire.” A woman among them said, “O Messenger of Allah, why is it that we are the most people of Hellfire.” He said: “You curse much and you are ungrateful to the favors of your husbands.”
"হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ শুরু হলে রসূলুল্লাহ (স) দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে সালত আদায় করলেন। তারপর সূর্য আকাশে পরিপূর্ণরূপে প্রকাশিত হওয়ার পরে ফিরলেন এবং বললেন, চন্দ্র-সূর্য আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শনসমূহের মধ্য থেকে দু'টি নিদর্শন। কারও জীবন-মৃত্যুর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ হয় না। যখন তোমরা এমনটি দেখতে পাবে, তখন আল্লাহকে স্মরণ করবে। সাহাবায়ে কেরাম আরয করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ (স)! আমরা আপনাকে এ দাঁড়ানো অবস্থায় কিছু ধরতে দেখলাম, তারপর আপনাকে পিছু হটতে দেখলাম। রসূলুল্লাহ (স) বললেন, আমি জান্নাত দেখতে পেয়েছিলাম। সেখান থেকে এক কাঁদি ফল ছেঁড়ার চেষ্টা করছিলাম। যদি ধরতে পারতাম, তাহলে তা তোমরা কিয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত খেতে পারতে। আমি জাহান্নাম দেখেছি, আজকের মত ভয়াবহ দৃশ্য আর কখনো দেখিনি এবং জাহান্নামবাসীদের অধিকাংশ মহিলা দেখতে পেয়েছি। সাহাবায়ে কেরাম আরয করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ (স)! এর কারণ কি? রসূলুল্লাহ (স) বললেন, তাদের কুফরের কারণে। জিজ্ঞেস করা হলো, তারা কি আল্লাহর সাথে কুফরী করে? হুযুর (স) বললেন, তারা স্বামীর কুফরী করে (অবাধ্য হয়) এবং তারা অন্যের উপকারের জবাবে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। যদি তুমি তাদের কারোর সারা জীবন উপকার কর তারপর সে যদি তোমার সামান্য কিছুও বিপরীত আচরণ দেখতে পায়, তাহলে বলে, আমি কোনো কালেও তোমার থেকে কোনো ভালো কিছু পেলাম না।" (বুখারী ও মুসলিম)'
"রসূলুল্লাহ (স) কোন এক ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহের দিকে বের হলেন। তিনি মেয়েদের পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেন এবং বললেন, হে নারী জাতি! তোমরা সাদকা প্রদান কর। (মুসলিম শরীফের এক বর্ণনায় আছে, তোমরা বেশী বেশী ইস্তিগফার তথা ক্ষমা প্রার্থনা কর।) কেননা আমাকে দেখানো হয়েছে যে, তোমাদের অধিকাংশই জাহান্নামের অধিবাসী। তারা বলল: হে আল্লাহর রসূল! এর কারণ কি? তিনি বললেন: তোমরা অধিক মাত্রায় অভিসম্পাত করে থাক এবং স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়ে থাক।” (বুখারী ও মুসলিম)৪
১০
[মিসোজিনি?]
"জাহান্নামের মধ্যে যে সমস্ত মহিলাকে দেখেছি তাদের অধিকাংশই আমানতের খেয়ানত করে। কিছু চাইলে কৃপণতা করে। কারও কাছে কিছু চাইলে জিদ ধরে বসে। তাদেরকে কিছু দান করলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।”২
"হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: ঈদুল আযহা কিংবা ঈদুল ফিতরের সময়ে রসূলুল্লাহ (স) ঈদগাহে মহিলাদের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, হে নারী সমাজ! বুদ্ধি ও দীনের দিক দিয়ে ত্রুটিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও বুদ্ধিমান পুরুষের জ্ঞান বিলোপ করার ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে কাউকেই সিদ্ধহস্ত দেখতে পাইনি। মহিলারা আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল (স)! দীন ও বুদ্ধির ক্ষেত্রে আমাদের ত্রুটি কি? উত্তরে তিনি বললেন, মহিলাদের সাক্ষ্য পুরুষের তুলনায় অর্ধেক নয় কি? তারা বললেন, জি হ্যাঁ। তখন রসূলুল্লাহ (স) বললেন, এটাই তাদের বুদ্ধি জ্ঞানের ত্রুটি। তাদের কেউ যদি ঋতুবতী হয়, তাহলে সালাত ও সিয়াম থেকে সে কি বিরত থাকে না? তারা বললেন, জি হ্যাঁ। রসূল (স) বললেন, এটাই তাদের দীনের ক্ষেত্রে কমতি।” (বুখারী ও মুসলিম)
একদিন তিনি কাঁদছিলেন, এমন সময়ে রসূল (স) তাঁর গৃহে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর কাঁদার কারণ জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে তিনি বললেন, তিনি উমরাহ পালনে বাধাগ্রস্ত হয়েছেন। (অপর এক বর্ণনায় এসেছে, আয়েশা (রা) রসূল (স)-কে বললেন, সকলে দুটি প্রতিদান পাবে আর আমি কি একটি নিয়েই ফিরে যাব?) রসূল (স) বললেন, কেন তোমার কি হয়েছে? তিনি বললেন, নামায আদায় করতে পারছি না। জবাব দিলেন, এতে তোমার কোন ক্ষতি হবে না, অন্যান্য মহিলাদের মত তুমিও একজন মহিলা। তাই তাদের জন্য যে প্রতিদান লিখিত হবে, তোমার জন্যও তাই হবে। সুতরাং তুমি হজ্জ করে যাও। হয়তো বা আল্লাহ তোমাকে তার প্রতিদান দেবেন। আয়েশা (রা) বলেন: মিনায় অবস্থানের তৃতীয় দিন পর্যন্ত আমি সেভাবেই থাকলাম। এরপর "মুহাস্রাব" নামক স্থানে গিয়ে পৌছলে রসূল (স) আব্দুর রহমানকে ডেকে বললেন, "তোমার এ বোনকে নিয়ে হারাম শরীফ থেকে বেরিয়ে পড়, যাতে সে উমরাহর তালবীয়াহ পাঠ করতে পারে।" (বুখারী ও মুসলিম) ১৮
[Marry your women to pious men]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের নিকট এমন কোন ব্যক্তি বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে এলে, যার চরিত্র ও ধর্মানুরাগ সম্পর্কে তোমরা সন্তুষ্ট, তার সাথে (তোমাদের মেয়েদের) বিবাহ দাও। তোমরা যদি তা না করো, তাহলে পৃথিবীতে বিপর্যয় ও ব্যাপক বিশৃংখলা ছড়িয়ে পড়বে। [ইবনে মাজাহ ১৯৬৭]
It was narrated from Abu Hurairah: that the Messenger of Allah said: "If there comes to you one with whose character and religious commitment you are pleased, then marry (your daughter or female relative under your care) to him, for if you do not do that there will be Fitnah in the land and widespread corruption.'"
তিরমিযী ১০৮৪, ইরওয়াহ ১৮৬৮, সহীহাহ ১০২২। তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল হামিদ বিন সুলায়মান আল-আনসারী সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, যারা হাদিস বর্ণনায় ভুল ও সানাদের পরিবর্তন করে তিনি তাদেরে অন্তর্ভুক্ত। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম দারাকুতনী ও সালিহ বিন মুহাম্মাদ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭১৭, ১৬/৪৩৪ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি হাসান কিন্তু আবদুল হামিদ বিন সুলায়মান আল-আনসারী এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৩২ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে। তন্মধ্যে ১১ টি দুর্বল, ৮ টি হাসান, ১৩ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ তিরমিযি ১০৮৪, ১০৮৫, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১০৩২৫, মু'জামুল আওসাত ৪৪৬, ৭০৭৪ ইত্যাদি।
১১
[নারীর সাক্ষী অর্ধেক কিছু সময়]
"তোমরা পুরুষদের মধ্য থেকে দু'জন সাক্ষী গ্রহণ কর। যদি দু'জন পুরুষ না হয়, তাহলে সাক্ষী হিসেবে একজন পুরুষ ও দু'জন মহিলাকে তোমাদের পছন্দানুযায়ী গ্রহণ কর।" (আল বাকারা: ২৮২)
১২
[মেয়েরা পাঁজরের হাড় থেকে সৃজিত]
"হযরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূল (স) এরশাদ করেছেন: তোমরা মেয়েদেরকে উপদেশ দিতে থাক, কেননা মেয়েরা পাঁজরের হাড় থেকে সৃজিত হয়েছে। আর পাঁজরের উপরের হাড়টিই হলো সর্বাধিক বাঁকা। তুমি যদি তাকে সোজা করতে চেষ্টা কর, তবে তা ভেঙে যাবে, আর যদি ওভাবে রেখে দাও, তবে তা বাঁকা অবস্থায়ই থাকবে। সুতরাং তোমরা মেয়েদেরকে উপদেশ দিতে থাক।” (বুখারী ও মুসলিম) আল বুখারী: আহাদীসুল আম্বিয়া অধ্যায়; আদম ও তার পরিবারবর্গের সৃষ্টি, খন্ড ৭, পৃষ্ঠা ১৭৭। মুসলিম: দুধপান অধ্যায় অনুচ্ছেদ: "আল অছিয়্যাতু বিন্নিসা, খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ১৭৮।
"আবু হুরায়রাহ (রা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ (স) বলেন: মেয়েরা পাঁজর থেকে সৃজিত হয়েছে এবং তারা কখনো সরল পথ অবলম্বন করে না। বক্র অবস্থায়ই তাদের থেকে কাজ হাসিল করে নাও। তুমি যদি তাকে সোজা করতে যাও, তবে ভেঙে যাবে। আর ভাঙার অর্থ হলো বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক।: (মুসলিম) মুসলিম: দুধপান অধ্যায়: অনুচ্ছেদ, মেয়েদের জন্য অসিয়াত, খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ১৭৮।
তিনি বলেন,
“তোমরা নারীদের ব্যাপারে উত্তম উপদেশ গ্রহণ কর। কারণ, নারী জাতিকে পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে; আর পাঁজরের হাড়গুলোর মধ্যে উপরের হাড়টি অধিক বাঁকা; সুতরাং তুমি যদি তা সোজা করতে যাও, তাহলে তা ভেঙ্গে ফেলবে; আর যদি এমনি ছেড়ে দাও, তাহলে সব সময় তা বাঁকাই থেকে যাবে; কাজেই নারীদের সাথে কল্যাণমূলক কাজ করার উপদেশ গ্রহণ কর।” বুখারী, আল-জামে‘উস সহীহ (৫১৮৬); মুসলিম, আস-সহীহ (১৪৬৮)
১৩
[বনী ইস্রায়েলীয়দের নারীদের মসজিদে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা]
"মেয়েরা এখন যেসব নতুন নতুন কার্যকলাপ করছে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি তা দেখতেন, তাহলে তিনি তাদেরকে মানা করতেন (মুসলিমের বর্ণনায় বলা হয়েছে: তিনি তাদেরকে মসজিদে যেতে নিষেধ করতেন) যেমন বনী ঈসরাইলের মেয়েদের নিষেধ করা হয়েছিল"। (বুখারী ও মুসলিম) আল বুখারী, অধ্যায়ঃ নামাযের গুণাবলী, অনুচ্ছেদ: আলেম ইমামের পিছনে নামায পড়ার জন্য লোকদের অপেক্ষা করা,... ২ খণ্ড, ৪৯৫ পৃষ্ঠা। মুসলিম, অধ্যায়: নামায, অনুচ্ছেদ: মসজিদে নামায পড়ার জন্য মেয়েদের ঘর থেকে বের হওয়া, ২ খণ্ড, ৩৪ পৃষ্ঠা।
১৪
[নারীদের কারন ছাড়া তালাক চাওয়া কবীরা গুনাহ]
Prophet (pbuh) said: “Any woman who asks her husband to divorce her for no (valid) reason, the scent of Paradise is forbidden to her.” [At-Tirmithi and others]
১৫
[পোশাক পড়া সত্ত্বেও নগ্ন]
Abu Hurayrah (ra) narrated that the Prophet (pbuh) said: “Two are the types of the denizens of the Hellfire whom I did not yet see: people having flogs like the tails of oxen with them, and they beat people unjustly; and the women who dress but appear to be naked, are inclined to evil, and make others incline towards it; their heads are like the humps of the Bactrian camel, inclined to one side. They will neither enter Paradise nor smell its scent, which is smelled from such-and-such a distance.” [Ahmad and Muslim]
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “জাহান্নামীদের এমন দু’টি দল রয়েছে, যাদেরকে আমি দেখি নি; তাদের এক দলের হাতে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে, তারা তা দিয়ে লোকদেরকে মারবে। আর এক দল হবে নারীদের, তাদেরকে পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করা সত্ত্বেও উলঙ্গ দেখাবে, গর্বের সাথে নৃত্যের ভঙ্গিতে বাহু দুলিয়ে পথ চলবে, বুখতী উটের উঁচু কুঁজের মতো করে খোপা বাঁধবে, এসব নারী কখনও জান্নাতে প্রবেশ করবে না, জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না, অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ অনেক অনেক দূর থেকে পাওয়া যাবে।” সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৫৭০৪
১৬
Everyone responsible for the people under his guardianship.
The Prophet (pbuh) mention said: “Every one of you is a guardian and is responsible for the people under his guardianship…” [Al-Bukhari and Muslim]
১৭
Marry women only for their characteristics.
The Messenger of Allaah (pbuh) says: "A woman is married for [either one of] these four characteristics: her wealth, her lineage, her beauty and her religiousness. Choose a religious woman lest you lose." [Al-Bukhari and Muslim]
১৮
[নারীদের সুগন্ধি ব্যবহার]
Prophet (pbuh) said: “A woman who wears perfume and passes by some people, who find her scent, then she has committed Zina (i.e. a form of Zina).” [Abu Dawood, at-Tirmithi and an-Nasaa’i]
“If a woman wears perfume and then goes out among the people so that they may smell her fragrance, she is such and such” [Ahmad in Al-Musnad].
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আর নারী যখন সুগন্ধি ব্যবহার করবে, তারপর মাজলিস বা সমাবেশের পাশ দিয়ে পথ অতিক্রম করবে, তখন সে এরকম এরকম, অর্থাৎ সে ব্যভিচারিনী।” ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: ‘হাদীসটি হাসান সহীহ’।
আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: “যখন তোমাদের নারীদের মধ্য থেকে কেউ মসজিদে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হবে, তখন সে যেন সুগন্ধি ব্যবহার না করে”। আবু শায়বাহ, মুসান্নাফ, হাদীস নং- ২৬৩৩৮ এবং ইমাম বুখারী ও মুসলিম রহ. প্রায় অনুরূপ শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
"আবদুল্লাহর স্ত্রী যয়নাব থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি মসজিদে যায় তাহলে যেন সে সুগন্ধি ব্যবহার না করে।" (সহী মুসলিম, নামায অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: ফিতনার আশংকা না থাকলে মহিলাদের মসজিদে যাওয়া, তবে সেক্ষেত্রে সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না, ২ খন্ড, ৩৩, ৩৪ পৃষ্ঠা।)
"আবু মূসা আশআরী থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, সুগন্ধি ব্যবহার করে যে নারী রাস্তা দিয়ে হাঁটে এবং লোকজন সে সুগন্ধি উপভোগ করে সে নারী এরূপ এবং এরূপ। তিনি তার সম্পর্কে কঠোর কথা বললেন।" (সহী সুনানে আবু দাউদ, চিরুনি করা অধ্যায়, অনুচ্ছেদ: যে নারী বাইরে বের হওয়ার সময় খোশবু ব্যবহার করে, ৩৫১৬ নং হাদীস।)
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আর নারী যখন সুগন্ধি ব্যবহার করবে, তারপর মাজলিস বা সমাবেশের পাশ দিয়ে পথ অতিক্রম করবে, তখন সে এরকম এরকম, অর্থাৎ সে ব্যভিচারিনী।” ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: ‘হাদীসটি হাসান সহীহ’।
আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: “যখন তোমাদের নারীদের মধ্য থেকে কেউ মসজিদে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হবে, তখন সে যেন সুগন্ধি ব্যবহার না করে”। আবু শায়বাহ, মুসান্নাফ, হাদীস নং- ২৬৩৩৮ এবং ইমাম বুখারী ও মুসলিম রহ. প্রায় অনুরূপ শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
১৯
[বিপরিত লিঙ্গের অনুকরন]
The Prophet (pbuh) said: “Allah curses women who imitate men and men who imitate women.” [Ahmad]
২০
[Wives of Prophet observing hijab]
What proves this is what ‘Aa’ishah (ra) with her said while relating the incident of Ifk falsehood, “Safwaan ibn Al-Mu‘attil As-Sulami was behind the Muslim army … he approached me and recognized me while I was asleep; for he had seen me before Hijab was obligatory.”
২১
[স্ত্রীকে পিটানোর অনুমোদন]
01. Jaabir (ra) said that the Prophet (pbuh) said, "…If they do that, then beat them, but without causing injury or leaving a mark." [Muslim]
...
02. Sanad: Abu Bakr bin Abi Shaybah told us, Al-Hussein bin Ali told us, on the authority of Zaida, on the authority of Shabib bin Garqada Al-Barqi, on the authority of Suleiman bin Amr b Al-Ahwas, my father told me that he witnessed the Farewell Pilgrimage with the Messenger of God - may God bless him and grant him peace - and he thanked God, praised Him, mentioned, and preached.
It was narrated that: Sulaiman bin Amr bin Ahwas said: “My father told me that he was present at the Farewell Pilgrimage with the Messenger of Allah. He praised and glorified Allah, and reminded and exhorted (the people). Then he said: 'I enjoin good treatment of women, for they are prisoners with you, and you have no right to treat them otherwise, unless they commit clear indecency. If they do that, then forsake them in their beds and hit them, but without causing injury or leaving a mark. If they obey you, then do not seek means of annoyance against them. You have rights over your women and your women have rights over you. Your rights over your women are that they are not to allow anyone whom you dislike to tread on your bedding (furniture), nor allow anyone whom you dislike to enter your houses. And their right over you are that you should treat them kindly with regard to their clothing and food.' ” [At-Tirmithi]
.
আমর ইবনুল আহওয়াস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বিদায় হাজ্জে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে উপস্থিত ছিলেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর প্রশংসা ও গুনগান করেন এবং ওয়াজ-নসীহত করেন। এরপর তিনি বলেন, তোমরা নারীদের সাথে উত্তম ব্যবহারের উপদেশ শুনে নাও। কেননা তারা তোমাদের নিকট আবদ্ধ আছে। এর অধিক তাদের উপর তোমাদের কর্তৃত্ব নাই যে, তারা যদি প্রকাশ্য অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়, সত্যিই যদি তারা তাই করে, তবে তোমরা তাদেরকে পৃথক বিছানায় রাখবে এবং আহত হয় না এরূপ হালকা মারধর করবে। অতঃপর তারা তোমাদের অনুগত হয়ে গেলে তাদের উপর আর বাড়াবাড়ি করো না। স্ত্রীদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে, তোমাদের উপর ও তাদের অধিকার আছে। তোমাদের স্ত্রীদের উপর তোমাদের অধিকার এই যে, তারা তোমাদের শয্যা তোমাদের অপছন্দনীয় লোকেদের দ্বারা মাড়াবে না এবং তোমাদের অপছন্দনীয় লোকেদেরকে তোমাদের ঘরে প্রবেশানুমতি দিবে না। সাবধান! তোমাদের উপর তাদের অধিকার এই যে, তাদের ভরণপোষণ, পোশাক-পরিচ্ছদ ও সজ্জার ব্যাপারে তোমরা তাদের প্রতি শোভনীয় আচরণ করবে। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ১৮৫১, হাসান। আরো: তিরমিযী ১১৬৩, ৩০৮৭, ইরওয়াহ ১৯৯৭-২০২০। আদাবুয যিফাফ ১৫৬ তাহকীক আলবানীঃ হাসান।]
...
03. ইয়াস ইবনু ’আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ যুবাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহর দাসীদের প্রহার করো না। অতঃপর ’উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলেনঃ হে আল্লাহর রসূল! নারীরা তো তাদের স্বামীদের অবাধ্যাচরণ করছে। তিনি তাদেরকে মারার অনুমতি দিলেন এবং তারা প্রহৃত হলো। পরে অনেক নারী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাড়িতে সমবেত হলো। সকাল বেলা তিনি বলেনঃ ’’আজ রাতে মুহাম্মাদের পরিবারে সত্তরজন মহিলা এসে তাদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। তোমরা মারপিটকারীদেরকে তোমাদের মধ্যে উত্তম হিসাবে পাবে না। (ইবনে মাজাহ ১৯৮৫)
It was narrated that Iyas bin 'Abdullah bin Abu Dhubab said: "The Prophet said: 'Do not beat the female slaves of Allah.' Then 'Umar came to the Prophet and said: 'O Messenger of Allah, the woman have become bold towards their husbands? So order the beating of them,' and they were beaten. Then many women went around to the family of Muhammad,. The next day he said: 'Last night seventy women came to the family of Muhammad, each woman complaining about her husband. You will not find that those are the best of you.' "
আবূ দাউদ ২১৪৬, দারেমী ২২১৯, গায়াতুল মারাম ২৫১, সহীহ আবী দাউদ ১৮৬৩। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
...
04. আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হলো: আমাদের কোনো ব্যক্তির ওপর তার স্ত্রীর কী অধিকার আছে? জবাবে তিনি বললেন: “তুমি যখন আহার করবে, তখন তাকেও আহার করাবে, আর তুমি যখন বস্ত্র পরিধান করবে, তখন তাকেও পরিধান করাবে। আর তার চেহারা তথা মুখমণ্ডলে প্রহার করো না, আর অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়ো না এবং ঘরের মধ্যে ছাড়া তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” আবু দাউদ, হাদীস নং- ২১৪৪
.
২২
[স্বামীর অপছন্দীয় ব্যক্তিরা গৃহে প্রবেশ করবে না]
01. Abu Bakr bin Abi Shaybah > Al-Hussein bin Ali > Zaida > Shabib bin Garqada Al-Barqi > Suleiman bin Amr b Al-Ahwas > his father told him that he witnessed the Farewell Pilgrimage with the Messenger of God (pbuh) and he thanked God, praised Him, mentioned, and preached.
It was narrated that: Sulaiman bin Amr bin Ahwas said: “My father told me that he was present at the Farewell Pilgrimage with the Messenger of Allah. He praised and glorified Allah, and reminded and exhorted (the people). Then he said: 'I enjoin good treatment of women, for they are prisoners with you, and you have no right to treat them otherwise, unless they commit clear indecency. If they do that, then forsake them in their beds and hit them, but without causing injury or leaving a mark. If they obey you, then do not seek means of annoyance against them. You have rights over your women and your women have rights over you. Your rights over your women are that they are not to allow anyone whom you dislike to tread on your bedding (furniture), nor allow anyone whom you dislike to enter your houses. And their right over you are that you should treat them kindly with regard to their clothing and food.' ” [At-Tirmithi] [At-Tirmithi, Narrated by al-Tirmidhi, 1163 – he said this is a sahih hasan hadith. Also narrated by Ibn Majah, 1851)] (তিরমিযী ১১৬৩, ৩০৮৭, ইরওয়াহ ১৯৯৭-২০২০। আদাবুয যিফাফ ১৫৬ তাহকীক আলবানীঃ হাসান।)
Sulaymaan ibn ‘Amr ibn al-Ahwas said: my father told me that he was present at the Farewell Pilgrimage (Hajjat al-Wada’) with the Messenger of Allah (pbuh). He [the Prophet (pbuh)] praised and glorified Allah, then he preached a sermon and said: “Treat women kindly, for they are (as) prisoners and you have no other power over them than that, if they are guilty of open lewdness, then refuse to share their beds, and hit them, but not severely. But if they return to obedience, (then) do not seek means (of annoyance) against them. You have rights over your women and your women have rights over you. Your rights over your women are that they should not let anyone whom you dislike sit on your bed and they should not let anyone whom you dislike enter your house. Their rights over you are that you should feed and clothe them well.” (Narrated by al-Tirmidhi, 1163 – he said this is a sahih hasan hadith. Also narrated by Ibn Majah, 1851) (তিরমিযী ১১৬৩, ৩০৮৭, ইরওয়াহ ১৯৯৭-২০২০। আদাবুয যিফাফ ১৫৬ তাহকীক আলবানীঃ হাসান।)
.
Jabir narrated that the Messenger of Allah (pbuh) said in his Farewell Sermon: “Fear Allah concerning women! Verily you have taken them on the security of Allah, and intercourse with them has been made lawful unto you by words of Allah. You too have rights over them, and that they should not allow anyone to sit on your bed [i.e., not let them into the house] whom you do not like. But if they do that, you can chastise them but not severely. Their rights upon you are that you should provide them with food and clothing in a fitting manner” (Narrated by Muslim, 1218)
.
Abu Hurayrah (ra) narrated that the Messenger of Allah (pbuh) said: “It is not permitted for a woman to fast when her husband is present without his permission, or to admit anyone into his house without his permission. And whatever she spends (in charity) of his wealth without his consent, ….” (Narrated by al-Bukhari, 4899; Muslim, 1026)
...
২৩
[নারীরা বন্দী] [বিয়ে হল দাসত্ব]
Wives are prisoners/Marriage is enslavement.
Sanad: Abu Bakr bin Abi Shaybah told us, Al-Hussein bin Ali told us, on the authority of Zaida, on the authority of Shabib bin Garqada Al-Barqi, on the authority of Suleiman bin Amr b Al-Ahwas, my father told me that he witnessed the Farewell Pilgrimage with the Messenger of God - may God bless him and grant him peace - and he thanked God, praised Him, mentioned, and preached.
It was narrated that: Sulaiman bin Amr bin Ahwas said: “My father told me that he was present at the Farewell Pilgrimage with the Messenger of Allah. He praised and glorified Allah, and reminded and exhorted (the people). Then he said: 'I enjoin good treatment of women, for they are prisoners with you, and you have no right to treat them otherwise, unless they commit clear indecency. (…)’ ” [At-Tirmithi]
As regards the statement, “Marriage is enslavement,” it was narrated both as a direct statement attributed to the Prophet (pbuh) (a Marfoo' hadeeth) and as a statement attributed to ‘Umar, ‘Aa’ishah, and Asmaa’ (ra) with them all (a Mawqoof hadeeth). The Mawqoof hadeeth (the narration attributed to the three Companions) is the one judged as authentic, as was stated by Al-Iraaqi while quoting Al-Bayhaqi.
‘Umar ibn al-Khattaab said: “Marriage is slavery, so be careful with regard to whom you give your daughter for enslavement.”
In al-Tirmidhi and elsewhere it is narrated that the Prophet (pbuh) said: “I urge you to treat women well, for they are prisoners with you.”
Jabir narrated that the Messenger of Allah (pbuh) said in his Farewell Sermon: “Fear Allah concerning women! Verily you have taken them on the security of Allah, and intercourse with them has been made lawful unto you by words of Allah. You too have rights over them, and that they should not allow anyone to sit on your bed [i.e., not let them into the house] whom you do not like. But if they do that, you can chastise them but not severely. Their rights upon you are that you should provide them with food and clothing in a fitting manner” (Narrated by Muslim, 1218)
.
২৪
[যেসব কারন বৌ পিটানো জায়েজ]
Jabir narrated that the Messenger of Allah (pbuh) said in his Farewell Sermon: “Fear Allah concerning women! Verily you have taken them on the security of Allah, and intercourse with them has been made lawful unto you by words of Allah. You too have rights over them, and that they should not allow anyone to sit on your bed [i.e., not let them into the house] whom you do not like. But if they do that, you can chastise them but not severely. Their rights upon you are that you should provide them with food and clothing in a fitting manner” (Narrated by Muslim, 1218)
২৫
She is angry or if her husband mistreats her.
It is confirmed that the Prophet, (pbuh), said: "Shall I not inform you who will be your wives in Paradise (from those whom you married in life); the one who is kind and gives birth to children. If she is angry or if her husband mistreats her she says: "Put your hand in mine. I will not sleep until you become pleased with me." [At-Tabaraani]
I doubt it’s authenticity.
.
২৫
[জায়েজ থাকলে নারীদের জন্য স্বামীকে সিজদাহ দেওয়া উচিত হত]
01. It was narrated that: Abdullah bin Abu Awfa said “When Muadh bin Jabal came from Sham, he prostrated to the Prophet who said: 'What is this, O Muadh?' He said: 'I went to Sham and saw them prostrating to their bishops and patricians and I wanted to do that for you.' The messenger of Allah said: 'Do not do that. If I were to command anyone to prostrate to anyone other than Allah, I would have commanded women to prostrate to their husbands. By the One in Whose Hand is the soul of Muhammad! No woman can fulfill her duty towards Allah until she fulfills her duty towards her husband. If he asks her (for intimacy) even if she is on her camel saddle, she should not refuse.' ” [Ahmad, Ibn Maajah and Ibn Hibbaan - Al-Albaani classified it as Hasan good]
আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুআয (রাঃ) সিরিয়া থেকে ফিরে এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সিজদা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে মু’আয! এ কী? তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে দেখতে পাই যে, তথাকার লোকেরা তাদের ধর্মীয় নেতা ও শাসকদেরকে সিজদা করে। তাই আমি মনে মনে আশা পোষণ করলাম যে, আমি আপনার সামনে তাই করবো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তা করো না। কেননা আমি যদি কোন ব্যক্তিকে আল্লাহ্ ছাড়া অপর কাউকে সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তাহলে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করতে। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! স্ত্রী তার স্বামীর প্রাপ্য অধিকার আদায় না করা পর্যন্ত তার প্রভুর প্রাপ্য অধিকার আদায় করতে সক্ষম হবে না। স্ত্রী শিবিকার মধ্যে থাকা অবস্থায় স্বামী তার সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করতে চাইলে স্ত্রীর তা প্রত্যাখ্যান করা অনুচিত। (ইবনে মাজাহ/ ১৮৫৩)
.
হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইরওয়াহ ৭/৫৫-৫৬, আদাবুয যিফাফ ১৭৮, সহিহাহ ১২০৩। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী কাসিম আশ-শায়বানী সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ। শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু আদী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। ইমাম যাহাবী বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে মতানৈক্য রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৮০৫, ২৩/৩৯৯ নং পৃষ্ঠা) তবে অন্যান্য বর্ণনা দ্বারা এর মতনের পক্ষে প্রমান পাওয়া যায়।
...
Abu Hurayrah (ra) with him narrated that the Prophet (pbuh) said: “If I were to order anyone to prostrate to someone else other than Allah, I would have ordered the wife to prostrate to her husband." [At-Tirmithi]
...
’আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি যদি কোন ব্যক্তিকে অপর কাউকে সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তাহলে অবশ্যই স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করতে। কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে লাল পাহাড় থেকে কালো পাহাড়ে অথবা কালো পাহাড় থেকে লাল পাহাড়ে পাথর স্থানান্তরের নির্দেশ দিলে তা পালন করা তার জন্য অপরিহার্য হতো। (ইবনে মাজাহ, ১৮৫২)
It was narrated from Aishah: that the messenger of Allah of said: “If I were to command anyone to prostrate to anyone else, I would have commanded women to prostrate to their husbands. If a man were to command his wife to move (something) from a red mountain to a black mountain, and from a black mountain to a red mountain, her duty is to obey to him.”
আহমাদ ২৩৯৫০, ইরওয়াহ ৭/৫৮, সহীহ আবী দাউদ ১৮৫৭ তাহকীক আলবানীঃ যঈফ, কিন্তু প্রথম অংশ তাকে স্বামীর জন্য সাজদার নির্দেশের সম্ভাবনার কথা সহীহ্। উক্ত হাদিসের রাবী আলী বিন যায়দ বিন জুদআন সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল কাত্তান বলেন, তার হাদিস প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আহমাদ বিন হাম্বল ও ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নন। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তিনি সিকাহ সালিহ। আল-আজালী বলেন, কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪০৭০, ২০/৪৩৪ নং পৃষ্ঠা) হাদিসটির ২ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, প্রথমটি তলক বিন আলী হতে তিরমিযি ও নাসাঈতে ও অপরটি উম্মু সালামাহ থেকে তিরমিযিতে।
.
২৬
[স্বামীর অধিকার আদায় ছাড়া আল্লাহর অধিকার আদায় সম্ভব না]
Abdullaah ibn Abi Awfa (ra) with him narrated that the Prophet, (pbuh), said: “If I were to command anyone to prostrate oneself to someone other than Allaah, I would have commanded the wife to prostrate herself before her husband. I swear by the One in Whose Hands my soul is, a wife would not fulfil the right of her Lord until she fulfills all the right of her husband, even if he would want her while she is on top of a camel." [Ahmad, Ibn Maajah and Ibn Hibbaan - Al-Albaani classified it as Hasan good]
.
২৭
[Fulfill husband’s sexual desire even on a top of a camel.]
Abdullaah ibn Abi Awfa (ra) with him narrated that the Prophet, (pbuh), said: “If I were to command anyone to prostrate oneself to someone other than Allaah, I would have commanded the wife to prostrate herself before her husband. I swear by the One in Whose Hands my soul is, a wife would not fulfil the right of her Lord until she fulfills all the right of her husband, even if he would want her while she is on top of a camel." [Ahmad, Ibn Maajah and Ibn Hibbaan - Al-Albaani classified it as Hasan good]
.
২৮
[Don’t be alone with non-Mahram woman.]
“No man is alone with a non-Mahram woman but the devil is the third one present.” [At-Tirmidhi and others].
The Prophet (pbuh) said, “After this day, no man should enter the house of a woman whose husband is absent [or who does not have anyone in her presence], unless he is accompanied by one or two men.” [Muslim]
.
২৯
[Don’t go to married woman without husband’s presence.]
The Prophet (pbuh) said, “After this day, no man should enter the house of a woman whose husband is absent [or who does not have anyone in her presence], unless he is accompanied by one or two men.” [Muslim]
.
.
৩০
[জান্নাতে যেতে স্বামীর আনুগত্য]
Prophet (pbuh) said: “A woman who performs her five prescribed daily prayers, fasts the month of Ramadan, guards her chastity and obeys her husband, will be addressed (on the Day of Resurrection): ‘Enter Paradise from any gate you like’.” [Ahmad].
[Wife's jannah depends on husband]
আবূ বকর বিন আবূ শায়বাহ-মুহাম্মাদ বিন ফুযাইল, আবূ নাসর আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান-মুসাবির হিমইয়ারী মাতা বলেন, আমি উম্মু সালামাহকে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, স্বামী খুশী থাকা অবস্থায় কোন স্ত্রীলোক মারা গেলে সে জান্নাতী। (ইবনে মাজাহ ৩/১৮৫৪)
It was narrated that from Musawir Al Himyari from his mother that: she heard Umm Salamah say: “I heard the Messenger of Allah say: 'Any woman who dies when her husband is pleased with her, will enter Paradise.' ”
তিরমিযী ১১৬১, আত-তালীকুর রাগীব ৩/৭৩, যাইফাহ ১৪২৬, যইফ আল-জামি' ২২২৭। তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা) ২. মুসা বিন আল-হিমইয়ারী সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী ও ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম যাহাবী অন্যত্র বলেন, তার সংবাদটি মুনকার। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৮৮৮, ২৭/৪২৫ নং পৃষ্ঠা)
২০২] যে মহিলা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে, রমযানের রোজা রাখবে, লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে এবং স্বামীর আনুগত্য করবে তাকে বলা হবে, তুমি জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ কর। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১৬৬১; মুসনাদে বাযযার, হাদীস ৭৪৮০; সহীহ ইবনু হিব্বান, হাদীস ৪১৬৩]
[২০৩] আসমা বিনতে ইয়াযিদ রা. নবিজির দরবারে গিয়ে আরয করেন, নারীদের পক্ষ থেকে আমি আপনার কাছে আগমন করেছি। (আল্লাহর রাসূল!) আল্লাহ তাআলা আপনাকে নারী ও পুরুষ সবার কাছেই রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছেন। আমরা আপনার উপর ও আপনার প্রতিপালকের উপর ঈমান এনেছি। আমরা নারীরা তো ঘরের কাজ-কর্ম আঞ্জাম দেই। সন্তান গর্ভে ধারণ করি। (তাদের লালন-পালন করি) আমাদের উপর (বিভিন্ন ইবাদাতের ক্ষেত্রে) পুরুষদের ফজিলত রয়েছে। তারা জামাতের সাথে নামাজ আদায় করে। রোগী দেখতে যায়। জানাযায় শরীক হয়। একের পর এক হাজ্জ করে। সবচেয়ে বড়ো ফজিলতের ব্যাপার হল তারা আল্লাহর পথে জিহাদ করতে পারে। তো আমরা কীভাবে তাদের মত ফজিলত ও সাওয়াব লাভ করতে পারব? নবিজি তখন সাহাবায়ে কেরামের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কোনো দ্বীনী বিষয়ে তোমরা কি কোনো নারীকে এর চেয়ে সুন্দর প্রশ্ন করতে শুনেছ কখনও? এরপর নবিজি সে নারীকে লক্ষ করে বললেন, তুমি আমার কথা ভালোভাবে অনুধাবন করো এবং অন্যান্য মহিলাদেরও একথা জানিয়ে দাও যে, স্বামীর সাথে সদাচরণ করা, তার সন্তুষ্টি কামনা করা ও তার পছন্দনীয় কাজ করা এসকল আমলের সমতুল্য সাওয়াব ও মর্যাদা রাখে। [শুআবুল ঈমান, বায়হাকী, হাদীস ৮৩৬৯; মুসনাদে বাযযার, হাদীস ৫২০৯] (আন-নাফাকাহ আলাল ইয়াল, ইবনু আবিদ দুনইয়া: ৫২৮)
.
৩১
[আয়িশা (রাযি) এর মিসোজিনি]
It was said to Aisha (ra) Which type of woman is best?
She said: "The one who does not know about saying bad things, and she is not crafty like men; her focus is on adorning herself for her husband and taking care of her family."[Muhadarat al-Udaba' by ar-Raghib al-Asfahani (1/410); 'Uyoon al-Akhbar by Ibn Qutaybah (1/375)]
.
.
.
৩২
[Take from husband what is reasonable.]
The Prophet (pbuh) said to Hind bint ‘Utbah – the wife of Abu Sufyan – who had complained that he did not spend on her: “Take what is sufficient for you and your children, on a reasonable basis.”
.
‘Aishah said: “Hind bint ‘Utbah, the wife of Abu Sufyan, entered upon the Messenger of Allah (pbuh) and said, ‘O Messenger of Allah, Abu Sufyan is a stingy man who does not spend enough on me and my children, except for what I take from his wealth without his knowledge. Is there any sin on me for doing that?’ The Messenger of Allah (pbuh) said, ‘Take from his wealth on a reasonable basis, only what is sufficient for you and your children.’” (Narrated by al-Bukhari, 5049; Muslim, 1714)
.
৩৩
[সেক্স ডিনাই করলে ফিরিশতারা অভিশাপ দেন]
প্রথম সূত্র:
মুহাম্মাদ ইবনু বাশার আমাদেরকে ইবনু আবি আদীর সুত্রে বলেছেন, শু’বার সূত্রে, সুলাইমানের সূত্রে, আবু হাযিমের সূত্রে, আবু হুরাইরার সূত্রে, নবীর সূত্রে।
Abu Hurayrah (ra) said: The Messenger of Allah (pbuh) said: ‘When a man calls his wife to his bed and she refuses, and he went to sleep angry with her, the angels will curse her until morning.’” (Narrated by al-Bukhari, 3065; Muslim, 1436)
Narrated Abu Huraira: The Prophet (ﷺ) said, "If a man Invites his wife to sleep with him and she refuses to come to him, then the angels send their curses on her till morning."
মুহাম্মাদ ইবনু বাশার আমাদেরকে ইবনু আবি আদীর সুত্রে বলেছেন, শু’বার সূত্রে, সুলাইমানের সূত্রে, আবু হাযিমের সূত্রে, আবু হুরাইরার সূত্রে, নবীর থেকে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে তার সঙ্গে একই বিছানায় শোয়ার জন্য ডাকে, আর সে আসতে অস্বীকার করে, তাহলে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতাগণ ঐ মহিলার ওপর লা’নত বর্ষণ করতে থাকে। (বুখারি ৫১৯৩, হাদিসবিডি)
.
দ্বিতীয় সনদ:
মুহাম্মাদ ইবনু আর আররা, শুবাহ আমাদেরকে কাতাদার সূত্রে, জুররার সূত্রে, আবু হুরায়রার সূত্রে, তিনি বলেছেন যে রাসুলুল্লাহ বলেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীর শয্যা ছেড়ে অন্যত্র রাত্রি যাপন করে তাহলে যতক্ষণ না সে তার স্বামীর শয্যায় ফিরে আসে, ততক্ষণ ফেরেশতাগণ তার ওপর লা’নত বর্ষণ করতে থাকে। [ বুখারি ৫১৯৪]
[৩২৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮১৫)
Narrated Abu Huraira: The Prophet (ﷺ) said, "If a woman spends the night deserting her husband's bed (does not sleep with him), then the angels send their curses on her till she comes back (to her husband).
.
তৃতীয় সনদ:
মুসাদ্দাদ আমাদেরকে বলেছে, আবু আওয়ান, আল-আমাশ, আবু হাযিম, আবু হুরায়রার কর্তৃত্বে।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন লোক যদি নিজ স্ত্রীকে নিজ বিছানায় আসতে ডাকে আর সে অস্বীকার করে এবং সে ব্যক্তি স্ত্রীর উপর দুঃখ নিয়ে রাত্রি যাপন করে, তাহলে ফেরেশ্তাগণ এমন স্ত্রীর উপর সকাল পর্যন্ত লা‘নত দিতে থাকে। শুবা, আবূ হামযাহ, ইবনু দাউদ ও আবূ মু‘আবিয়াহ (রহ.) আ‘মাশ (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় আবূ আওয়ানাহ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। [বুখারি ৩২৩৭]
Narrated Abu Huraira: Allah's Messenger (ﷺ) said, "If a husband calls his wife to his bed (i.e. to have sexual relation) and she refuses and causes him to sleep in anger, the angels will curse her till morning."
..
চতুর্থ সনদ:
আমাদের কাছে আবূ বকর ইবনে আবী শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে আবূ মুয়াবিয়া বর্ণনা করেছেন, এবং আমাদের কাছে আবূ সাঈদ আল-আশখ বর্ণনা করেছেন, আমাদের কাছে ওয়াকি বর্ণনা করেছেন, এবং জুহাইর ইবন হারব [এইটা ভুল অনুবাফ হতে পারে। চেক করো] বর্ণনা করেছেন, এবং এই বাক্যগুলো তার নিজের - জারীর আমাদেরকে বলেছেন, তারা সবাই আল-আমাশের কর্তৃত্বে, আবু হাযিমের কর্তৃত্বে, আবু হুরায়রার সূত্রে।
Abu Huraira reported Allah's Messenger (may, peace be upon him) as saying: When a man invites his wife to his bed and she does not come, and he (the husband) spends the sight being angry with her, the angels curse her until morning. [Sahih Muslim 1436 d (সুন্নাহ.কম)]
.
পঞ্চম সনদ:
Abu Huraira (ra) reported Allah's Messenger (pbuh) as saying: By Him in Whose Hand is my life, when a man calls his wife to his bed, and she does not respond, the One Who is in the heaven is displeased with her until he (her husband) is pleased with her. [Sahih Muslim 1436 c. Sunnah.com]
Ibn Abi Omar told us, Marwan told us, on the authority of Yazid, meaning Ibn Kaysan - on the authority of Abu Hazim, on the authority of Abu Hurairah, who said
.
ষষ্ঠ সনদ: Muhammad ibn al-Muthanna and Ibn Bashar - the wording is that of Ibn al-Muthanna - told us: Muhammad ibn Ja`far told us: Shu`bah told us: I heard Qatadah narrating on the authority of Zurara ibn Awfa, on the authority of Abu Hurayrah, on the authority of the Prophet
Abu Huraira (Allah be pleased with him) reported that Allah's Apostle() said:
When a woman spends the night away from the bed of her husband, the angels curse her until morning. (Muslim 1436 a)
৩৪
[স্বামীর অনুমতি ছাড়া নফল ইবাদতের অনুমতি নাই]
Can’t perform nafl fasting without husband’s permission.
Abu Hurayrah (ra) narrated that the Messenger of Allah (pbuh) said: “It is not permitted for a woman to fast when her husband is present without his permission, or to admit anyone into his house without his permission. And whatever she spends (in charity) of his wealth without his consent, ….” (Narrated by al-Bukhari, 4899; Muslim, 1026)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কোন স্ত্রী স্বামীর উপস্থিতিতে তাঁর অনুমতি ব্যতীত নফল সওম রাখবে না। [বুখারী, ৫১৯২] [২০৬৬; মুসলিম ১২/৬, হাঃ ১০২৬, আহমাদ ৮১৯৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮১৩)
Narrated Abu Huraira: The Prophet (ﷺ) said, "A woman should not fast (optional fasts) except with her husband's permission if he is at home (staying with her).
.
৩৫
[বিয়ে করা সুন্নাহ]
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিবাহ করা আমার সুন্নাত। যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত মোতাবেক কাজ করলো না সে আমার নয়। তোমরা বিবাহ করো, কেননা আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে অন্যান্য উম্মাতের সামনে গর্ব করবো। অতএব যার সামর্থ্য আছে সে যেন বিবাহ করে এবং যার সামর্থ্য নেই সে যেন রোযা রাখে। কারণ রোযা তার জন্য জৈবিক উত্তেজনা প্রশমনকারী। (ইবনে মাজাহ ১৮৪৬)
It was narrated from Aishah that: the Messenger of Allah said: “Marriage is part of my sunnah, and whoever does not follow my sunnah has nothing to do with me. Get married, for I will boast of your great numbers before the nations. Whoever has the means, let him get married, and whoever does not, then he should fast for it will diminish his desire.”
Sanad: Isa ibn Maimun > Adam ibn Azhar ibn Ahmad > Nakah Fadhli (incomplete)
হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সহীহাহ ২৩৮৩। তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ঈসা বিন মায়মুন সম্পর্কে আবু বকর আল বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ছিলেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী ও ইমাম যাহাবী তিনি দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল, তিনি মুনকার। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৬৬৭, ২৩/৪৮ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ।
.
.
.
৩৬
[Celibacy is haram]
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’উসমান ইবনু মাযঊন (রাঃ)-এর স্ত্রী সংসর্গ ত্যাগ করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলে আমরা অবশ্যই নপুংসক হয়ে যেতাম। (ইবনে মাজাহ, ১৮৪৮)
It was narrated that: Sa'd said: “The Messenger of Allah disapproved of Uthman bin Maz'un's desire to remain celibate; if he had given him permission, we would have gotten ourselves castrated.”
সহীহুল বুখারী ৫০৭৪, মুসলিম ৪০০২, তিরমিযী ১০৮৩, নাসায়ী ৩২১২, আহমাদ ১৫১৭, ১৫২৮, ১৫৯১, দারেমী ২১৬৭, ২১৬৯, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু মারওয়ান মুহাম্মাদ বিন উসমানী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন ও সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইমাম বুখারী তাকে সত্যবাদী বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৪৫৪, ২৬/৮১ নং পৃষ্ঠা)
.
৩৭
[কুমারী মেয়েকে বিয়ে করার কারন]
০১. উতবা ইবনু ’উআয়ম ইবনু সাঈদা আল-আনসারী (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ বলেছেনঃ তোমাদের কুমারী মেয়ে বিবাহ করা উচিত। কেননা তারা মিষ্টিমুখী, নির্মল জরায়ুধারী এবং অল্পতেই তুষ্ট হয়। [ইবনে মাজাহ ১৮৬১, হাসান]
It was narrated from Abdur-Rahman bin Salim bin Utbah bin Salim bin Uwaim bin Sa'idah Al-Ansari, from his father that: his grandfather said: “The Messenger of Allah said: 'You should marry virgins, for their mouths are sweeter, their wombs are more prolific and they are satisfied with less.'”
হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সহীহাহ ৬২৩। তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন তালহাহ আত তায়মী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৩১২, ২৫/৪১৪ নং পৃষ্ঠা) ২. আব্দুর রহমান বিন সালিম বিন উতবাহ বিন উওয়ায়ম বিন সাইদাহ আল-আনসারী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী ও ইমাম বুখারী বলেন, তার হাদিস বিশুদ্ধ নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৮২৩, ১৭/১২৭ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু মুহাম্মাদ বিন তালহাহ আত তায়মী ও আব্দুর রহমান বিন সালিম এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৪৪ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৯ টি অধিক দুর্বল, ১৩ টি দুর্বল, ১০ টি হাসান, ১২ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১০৩৪১, ১০৩৪২, মু'জামুল আওসাত ৪৫৫, ৭৬৭৭, শারহুস সুন্নাহ ২২৪৬ ইত্যাদি।
...
জাবির বিন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে এক মহিলাকে বিবাহ করলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সাথে সাক্ষাত করলে তিনি বলেনঃ "হে জাবির! তুমি কি বিবাহ করেছো?" আমি বললাম, 'হ্যাঁ'। তিনি বললেন, "কুমারী না বিধবা?" আমি বললাম, 'বিধবা'। তিনি বলেন, "কেন তুমি কুমারী মেয়ে বিবাহ করলে না, তাহলে তার সাথে তুমি রসিকতা ও কৌতুক করতে পারতে?" আমি বললাম, আমার কয়েকটি বোন আছে। তাই আমি আমার ও আমার বোনদের মধ্যে একটি কুমারী মেয়ের প্রবেশ করাকে সংকটজনক বোধ করলাম। তিনি বলেনঃ "তাতো ভালো কথা"। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ১৮৬০ ,সহিহ হাদিস]
ফুটনোট: সহীহুল বুখারী ২০৯৭, ২৩০৯, ২৯৬৭, ৪০৫২, ৫০৭৯, ৫০৮০, ৫২৪৫, ৫২৪৭, ৫৩৬৭, ৬৩৮৭, মুসলিম ৭১৫, তিরমিযী ১১০০, নাসায়ী ৩২১৯, ৩২২০, ৩২২৬, আবূ দাউদ ২০৪৮,আহমাদ ১৩৮২২,১৩৮৯৪, ১৩৯৬৭, ১৪৪৪৭, ১৪৪৮০, ১৪৫৪৪, ১৪৭৭১, দারেমী ২২১৬, সহীহ আবী দাউদ ১৭৮, ইরওয়াহ ১৭৮৫, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
.
৩৮
[রাসুল সংখ্যাধিক্য নিয়ে গৌরব করবে]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা বিবাহ করো আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে গৌরব করবো। [ইবনে মাজাহ ১৮৬৩]
It was narrated from Abu Hurairah that: the Messenger of Allah said: “Marry, for I will boast of your great numbers.”
হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সহীহ আবী দাউদ ১৭৮৯, আদবুয যিফাফ ১৬, ৫৩, ইরওয়াহ ১৭৮৪, যঈফাহ ২৯৬০। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. ইয়াকুব বিন হুমায়দ বিন কাসিব সম্পর্কে আবু জা'ফার আল উকায়লী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭০৮৬, ৩২/৩১৮ নং পৃষ্ঠা) ২. তালহাহ (বিন আমর বিন উসমান) সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকার আল বাযযার বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী ও আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন হাম্বল ও আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত ও দুর্বল। ইমাম যাহাবী তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আলী ইবনুল জুনায়দ আর রাযী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৯৭৮, ১৩/৪২৭ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু ইয়াকুব বিন হুমায়দ ও তালহাহ বিন আমর এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৯৯ টি শাহিদ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আবু দাউদ ২০৫০, আহমাদ ১২২০২, ১৩১৫৭, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১০৩৪৩, ১০৩৪৪, মু'জামুল আওসাত ৫০৯৯,৫৭৪৬ ইত্যাদি।
.
৩৯
[মেয়েদের বিয়ের জন্য ওয়ালী লাগবে]
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে নারীকে তার অভিভাবক বিবাহ দেয়নি তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল। স্বামী তার সাথে সহবাস করলে তাতে সে মাহরের অধিকারী হবে। তাদের মধ্যে মতবিরোধ হলে সে ক্ষেত্রে যার অভিভাবক নাই, শাসক তার অভিভাবক। [ইবনে মাজাহ ১৮৭৯]
It was narrated from Aishah that : the Messenger of Allah said: “Any woman whose marriage is not arranged by her guardian, her marriage is invalid, her marriage is invalid, her marriage is invalid. If (the man) has had intercourse with her, then the Mahr belongs to her in return for his intimacy with her. And if there is any dispute then the ruler is the guardian of the one who does not have a guardian.”
তিরমিযী ১১০২, আবূ দাউদ ২০৮৩, আহমাদ ২৩৮৫১, ২৪৭৯৮, দারেমী ২১৮৪, ইরওয়াহ ১৮৪০, মিশকাত ১৩৩১, সহীহ আবী দাউদ ১৮১৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সুলায়মান বিন মুসা সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি আমার নিকট সত্যবাদী। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি একজন ফকিহ। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি ফকিহদের একজন তবে হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। আল-মিযযী বলেন, তিনি তার যুগে শামের একজন ফকিহ ছিলেন। আতা বিন আবু রাবাহ বলেন, তিনি শামের যুবকদের নেতা ছিলেন। মুহাম্মাদ বিন সা'দ বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭১, ১২/৯২ নং পৃষ্ঠা)
.
আয়িশাহ্ (রাঃ) ও ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না। ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসে আরও আছেঃ যার অভিভাবক নাই, শাসক তার অভিভাবক। [ইবনে মাজাহ ১৮৮০]
It was narrated that: Aisha and Ibn Abbas said: “The Messenger of Allah said: 'There is no marriage except with a guardian.' ”According to the Hadith of Aishah: “And the ruler is the guardian of the one who does not have a guardian. ”
তিরমিযী ১১০২, ১১০৩, আবূ দাউদ ২০৮৩, আহমাদ ২২৬০, ২৩৬৮৫, ২৩৮৫১, ২৪৭৯৮, ২৫৭০৩, দারেমী ২১৮৪, ইরওয়াহ ৬/২৩৮, ২৪৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী হাজ্জাজ বিন আরতা সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বকর আল বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়, অন্যত্র তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় তাদলীস করেন। মুহাম্মাদ বিন সা'দ তাকে দুর্বল বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১১২, ৫/৪২০ নং পৃষ্ঠা)
.
আবু মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হয় না। [ইবনে মাজাহ ১৮৮১]
It was narrated from Abu Musa that: the Messenger of Allah said: “There is no marriage except with a guardian.”
তিরমিযী ১১০১, আবূ দাউদ ২০৮৫, আহমাদ ১৯০২৪, ১৯২১১, ১৯২৪৭, দারেমী ২১৮২, ২১৮৩, ইরওয়াহ ১৮৩৯, মিশকাত ১৩৩০, আর-রাদ্দু আলা বালীক ১১০, সহীহ আবী দাউদ ১৮১৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
.
৪০
[ওয়ালী ছাড়া বিবাহকারী যিনাকারী]
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মহিলা অপর কোন মহিলাকে বিবাহ দিবে না এবং কোন মহিলা নিজেকেও বিবাহ দিবে না। কেননা যে নারী স্বউদ্যোগে বিবাহ করে সে যেনাকারিণী। [ইবনে মাজাহ ১৮৮২]
It was narrated from Abu Hurairah that: the Messenger of Allah said: “No woman should arrange the marriage of another woman, and no woman should arrange her own marriage. The adulteress is the one who arranges her own marriage.”
হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইরওয়াহ ১৮৪১। যইফ আল জামি' ৬২১৪ তাহকীক আলবানীঃ যেনার বাক্য ব্যতীত সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. জামীল ইবনুল হাসান আল-আতাকী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল জুরজানী বলেন, আমি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, আমরা তার সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম কিন্তু তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করিনি। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মাসলামাহ ইবনু কাসিম বলেন, তিনি সিকাহ। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৯৬৮, ৫/১২৮ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন মারওয়ান আল-উকায়লী সম্পর্কে আবু জা'ফার আল উকায়লী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৯৫, ২৬/৩৮৭ নং পৃষ্ঠা)
.
৪১
[তরুণী স্ত্রী এবং বয়স্কা স্ত্রীর নিকট অবস্থানের পালা। ]
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বয়স্কা স্ত্রীর পালা হচ্ছে তিন দিন এবং তরুণী স্ত্রীর পালা সাত দিন। [ইবনে মাজাহ ১৯১৬]
It was narrated from Anas: that the Messenger of Allah said: “Three days for a previously-married woman and seven days for a virgin.”
সহীহুল বুখারী ৫২১৩, ৫২১৪, মুসলিম ১৪৬১, তিরমিযী ১১৩৯, আবূ দাউদ ২১২৪, মুয়াত্তা মালেক ১১২৪, দারেমী ২২০৯, ইরওয়াহ ৭/৮৮-৮৯, সহীহাহ ১১৭১ তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন ইসহাক সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাসানুল হাদিস। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি সালিহ। সুলায়মান বিন তারখান ও সুলায়মান বিন মিহরান বলেন, তিনি মিথ্যুক। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি আমার নিকট হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয় তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫০৫৭, ২৪/৪০৫ নং পৃষ্ঠা)
.
৪২
[চার ওয়াইফ রাখা]
কায়েস ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং তখন আমার আটজন স্ত্রী ছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তিনি বলেনঃ তাদের মধ্যে তোমার পছন্দমত চারজনকে রেখে দাও। [ইবনে মাজাহ ১৯৫২]
It was narrated that Qais bin Harith said: “I became Muslim and I had eight wives. I went to the Prophet and told him about that. He said: 'Choose four of them.' ”
আবূ দাউদ ২২৪১, ইরওয়াহ ১৮৮৫, সহীহ আবী, দাউদ ১৯৩৯। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইবনু আবু লায়লা সম্পর্কে ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সিকাহ। শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ বলেন, আমি তার চেয়ে দুর্বল স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন ব্যাক্তি আর কাউকে দেখিনি। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল কাত্তান বলেন, তিনি যইফ বা দুর্বল। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার স্মৃতিশক্তি খুবই দুর্বল। ইবনু মাঈন বলেন, সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৪০৬, ২৫/৬২২ নং পৃষ্ঠা)
.
[আলী চাইলে ফাতেমাকে তালাক দিতে পারে]
ইবনে মাজাহ ১৯৯৮
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ বনূ হিশাম ইবনুল মুগীরাহ তাদের কন্যাকে ’আলী ইবনু আবূ তালিবের নিকট বিবাহ দিতে আমার নিকট অনুমতি চেয়েছে। আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না, আমি তাদেরকে অনুমতি দিবো না, আমি অনুমতি দিব না, আমি তাদেরকে অনুমতি দিব না। তবে ’আলী ইবনু আবূ ত্বলিব আমার কন্যাকে তালাক দিলে তা করতে পারে। কেননা ফাতেমাহ অবশ্যি আমার দেহের একটি টুকরা। যা তার মনঃকষ্টের কারণ হয় তা আমারও মনঃকষ্টের কারণ হয় এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়।
It was narrated that Mishwar bin Makhramah said: "I heard the Messenger of Allah when he was on the pulpit, say: 'Banu Hisham bin Mughirah asked me for permission to marry their daughter to 'Ali bin Abu Talib, but I will not give them permission, and I will not give them permission, and I will not give them permission, unless 'Ali bin Abu Talib wants to divorce my daughter and marry their daughter, for she is a part of me, and what bothers her bothers me, and what upsets her upsets me."
মাজাহ ১৯৯৯, সহীহুল বুখারী ৩১১০, ৩৭১৪, ৩৭২৯, ৩৭৬৭, ৫২৩০, ৫২৭৮, মুসলিম ২৪৪৯, তিরমিযী ৩৮৬৭, ২০৬৯, ২০৭১, আহমাদ ১৮৪২৮, ১৮৪৩২, ১৮৪৪৭, ১৮৪৫১, ইরওয়াহ ২৬৭৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
.
৪৩
[আবদুল্লাহ্ বিন মাস’উদ এর মিসোজিনিস্ট ভাষা। লল]
ইবনে মাজাহ ১৯৮৯
’আবদুল্লাহ্ বিন মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই সব নারীকে অভিসম্পাত করেছেন, যারা অন্যের দেহে আঁকে এবং যারা নিজেদের দেহে উল্কি অংকন করায়, যারা ভ্রূর চুল উপড়ে ফেলে এবং যারা সৌন্দর্যের জন্য দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি করে, তারা আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন করে। আসাদ গোত্রের উম্মু ইয়াকূব নাম্নী মহিলার কাছে এ হাদীস পৌঁছলে, তিনি ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর কাছে এসে বলেন, আমি অবগত হয়েছি যে, আপনি এমন এমন কথা বলেছেন।
’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি তাদেরকে কেন অভিসম্পাত করবো না যাদেরকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন এবং বিষয়টি আল্লাহর কিতাবে উক্ত আছে! মহিলা বলেন, আমি সম্পূর্ণ কুরআন পড়েছি, কিন্তু কোথাও তো তা পাইনি। ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, তুমি খেয়াল করে তা পড়লে, অবশ্যই পেতে। তুমি কি এ আয়াত পড়োনি (অনুবাদ) ’’রসূল তোমাদেরকে যা দেয় তা তোমরা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে তোমরা বিরত থাকো’’ (সূরা হাশরঃ ৭)? মহিলা বললেন, হ্যাঁ।
’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কাজ করতে নিষেধ করেছেন। মহিলা বলেন, আমার মনে হয় আপনার পরিবার (স্ত্রী) এরূপ করে থাকে। তিনি বলেন, তাহলে তুমি গিয়ে লক্ষ্য করে দেখো। অতএব সে গিয়ে লক্ষ্য করলো, কিন্তু তার কোন লক্ষণই দেখতে পেলো না। শেষে সে বললো, আমি এমন কিছু দেখতে পাইনি। ’আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, তোমরা কথা ঠিক হলে সে আমাদের সাথে একত্রে থাকতে পারতো না।
It was narrated that 'Abdulleh said: "The Messenger of Allah cursed the woman who does tattoos and the one who has them done, and those who pluck their eyebrows and file their teeth for the purpose of beautification, and those who change the creation of Allah." News of that reached a woman of Banu Asad who was called Umm Ya'qub. She came to him and said: "I have heard that you said such and such." He said: 'Why should I not curse those whom the Messenger of Allah cursed ? And it is in the Book of Allah.'' She said: "I read what is between its two covers 'and I have not found that." He said: "If you read it properly you would have found it. Have you not read the words: 'And whatsoever the Messenger (Muhammad) gives you, take it; and whatsoever he forbids you, abstain (from it).'?" She said: "Of course." He said: 'The Messenger of Allah forbade that." She said: 'I think that your wife does it.' He said: " Go and look." So she went and looked and she did not see what she wanted. She said: "I have not seen anything!’ 'Abdullah said: "If she was as you say, I would not have kept her with me. "
সহীহুল বুখারী ৪৮৮৬, ৪৮৮৭, ৫৯৩১, ৫৯৩৯, ৫৯৪৩, ৫৯৪৮, মুসলিম ২১২৫, তিরমিযী ২৭৮২, নাসায়ী ৩৪১৬, ৫০৯৯, ৫১০২, ৫১০৭, ৫১০৮, ৫১০৯, ৫২৫২, ৫২৫৩, ৫২৫৪, ৫২৫৫, আবূ দাউদ ৪১৬৯, আহমাদ ৩৮৭১, ৩৯৩৫, ৪০৭৯, ৪১১৮, ৪২১৮, ৪২৭১, ৪৩৩১, ৪৩৮৯, ৪৪২০, ২৬৪৭, গায়তুল মারাম ৯৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
.
৪৪
[পরচুলা হারাম]
ইবনে মাজাহ ১৯৮৮
আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললো, আমার মেয়ের সদ্য বিবাহ হয়েছে, কিন্তু রোগের কারণে তার মাথার চুল ঝরে গেছে। আমি কি তার মাথায় কৃত্রিম চুল জোড়া দিবো? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে নারী পরচুলা সংযোজন করে এবং যে সংযোজন করায়, আল্লাহ্ তাদের উভয়কে অভিসম্পাত করেন।
It was narrated that Asma' said: "A woman came to the Prophet and said:, My daughter is going to get married, and she had the measles and her hair has fallen out. Can I put extensions in her hair?, The Messenger of Allah said: ‘Allah has cursed the one who does hair extensions and the one who has that done.'"
সহীহুল বুখারী ৫৯৩৫, ৫৯৩৬, ৫৯৪১, মুসলিম ২১২২, নাসায়ী ৫০৯৪, ৫২৫০, আহমাদ ২৪২৮২, ২৬৩৭৮, ২৬৩৯১, ২৬৪৩৯, গায়াতুল মারাম ৯৮-৯৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
.
ইবনে মাজাহ ১৯৮৭
ইবনু ’উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই নারীকে অভিসম্পাত করেছেন, যে কৃত্রিম চুল সংযোজন করে এবং যে তা করায় এবং যে দেহে উল্কি অংকন করে এবং যে তা করায়।
It was narrated from Ibn 'Umar that: the Prophet cursed the woman who does hair extensions and the one who has that done, and the woman who does tattoos and the one who has that done.
সহীহুল বুখারী ৫৯৩৭, ৫৯৪০, ৫৯৪২, ৫৯৪৭, মুসলিম ২১২৪, তিরমিযী ২৭৫৯, ১৭৮৩, নাসায়ী ৫০৯৫, ৫২৫১, আবূ দাউদ ৪১৬৮, আহমাদ ৪৭১০, গায়াতুল মারাম ৬৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
.
৪৫
[স্ত্রী স্বামীকে কষ্ট দিলে হুরেরা অনুযোগ করে]
ইবনে মাজাহ ২০১৪
মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কোন স্ত্রী তার স্বামীকে কষ্ট দেয়, তখন জান্নাতে তার আয়তালোচনা হুর স্ত্রীগণ বলতে থাকেঃ ওহে! আল্লাহ্ তোমার সর্বনাশ করুন। তুমি তাকে কষ্ট দিও না। সে তো তোমার নিকট অল্প দিনের মেহমান। অচিরেই সে তোমাকে ত্যাগ করে আমাদের নিকট চলে আসবে।
It was narrated from Mu'adh bin Jabal that: the Messenger of Allah said: "No woman annoys her husband but his wife among houris (of Paradise) safs: 'Do not annoy him, may Allah destroy you, for he is just a temporary guest with you and soon he will leave you and join us."'
তিরমিযী ১১৭৪, সহীহা ১৭৩, আদাবুল যিফাফ ১৭৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল ওয়াহহাব ইবনুদ দাহহাক সম্পর্কে আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি মিথ্যুক। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি জাল (বানিয়ে) হাদিস বর্ণনা করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আবু নুআয়ম আল-আসবাহানী বলেন, তিনি একাধিক জাল হাদিস বর্ণনা করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৬০১, ১৮/৪৯৪ নং পৃষ্ঠা)
২. ইসমাঈল বিন আয়্যাশ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আহলে শাম থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনু আবু শায়বাহ, আমর ইবনুল ফাল্লাস ও দুহায়ম বলেন, শাম শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় তিনি সিকাহ কিন্তু অন্য শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭২, ৩/১৬৩ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিস্ত সহিহ কিন্তু আবদুল ওয়াহহাব ইবনুদ দাহহাক ও ইসমাঈল বিন আয়্যাশ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ১৭ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৮ টি অধিক দুর্বল, ৬ টি দুর্বল, ২ টি হাসান, ১ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ তিরমিযি ১১৭৪, আহমাদ ২১৫৯৫ ইত্যাদি।
.
৪৬
[পূণ্যবতী স্ত্রী সর্বশ্রেষ্ঠ ]
রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন: “দুনিয়া হচ্ছে উপভোগের বস্তু। আর দুনিয়ার উপভোগের বস্তুসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো পূণ্যবতী স্ত্রী।” সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ৩৭১৬
.
৪৭
[রাস্তার পাশ দিয়ে চলাচল করা]
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:
“(হে নারীগণ) তোমরা অপেক্ষা কর এবং পরে আস। কারণ, রাস্তার মধ্যখান দিয়ে চলার অধিকার তোমাদের নেই। তোমাদের জন্য আবশ্যক হলো রাস্তার পাশ দিয়ে চলাচল করা। তারপর নারী এমনভাবে দেয়াল ঘেষে চলতে লাগল, শেষ পর্যন্ত দেয়াল সংলগ্ন হওয়ার কারণে তার কাপড় দেয়ালের সাথে ঝুলে থাকত।” আবু দাউদ, হাদীস নং- ৫২৭৪। আলবানী হাদীসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন।
000000000000000000000000000000000000000000
0000000000000000000000000000000000000000000