মোসাইক অথরশীপের বিপক্ষে যুক্তি
৪.১.১.১. মোজাইক অথরশিপের পক্ষে যুক্তি
ইন্টার্নাল পয়েন্ট
১। এমন এলিমেন্টসের উপস্থিতি যা মিশর আর এক্সোডাসের সত্যতা দাবী করে।
২। তোরাহতে ইশ্বর মোশিকে অনেক তথ্য লিপিবদ্ধ করতে আদেশ দিয়েছেন।
এক্সটার্নাল পয়েন্ট
১। যিশু নিজে তোরাহকে মোশির রচয়িতা দাবী করেছেন।
২। বাইবেলের অন্যান্য বইয়ে তোরাহকে মোশির রচয়িতা দাবী করেছেন।
৪.১.১.২. মোজাইক অথরশিপের বিপক্ষে যুক্তি
১। বার্ডেন অফ প্রুফ খ্রিস্টানদের উপরে যারা তা দেখাতে ব্যর্থ।
২। পযিটিভ এভিডেন্সের অভাব
> বইয়ে লেখকের পরিচয় উল্লেখ নেই।
> থার্ড পার্সন পয়েন্ট অফ ভিউয়ে লেখা।
(৩) একাধিক লেখকের উপস্থিতি। ডকুমেন্টারি হাইপোথিসিস।
(৪) পোস্ট মোজাইক ইভেন্ট: এমন ঘটনার উল্লেখ যা মোশির পরে ঘটেছে বা মোশির পক্ষে লেখা সম্ভব না।
i. মান্না বন্ধ হওয়া
ii. মান্নার স্বাদ বর্ণনায় ভিন্নতা
iii. মোশির মৃত্যু
iv. লেখকের মোশির কবর না জানা
v. উটের ব্যবহার (দূর্বল পয়েন্ট)
vi. সদাপ্রভুর যুদ্ধের বইয়ের ব্যবহার
vii. ওগের লৌহের বিছানা।
viii. ড্যান শহর।
x. কেনানীয়দের অস্তিত্ব।
. ইস্রায়েলিয়দের রাজা।
xi. মোসেজের মত ভাববাদী কেউ দেখেননি।
xii. জর্দানের অপর পাশ।
xiii. মাউন্ট সির জয় করা।
xiv. ইউসুফের সময়ে হিব্রুদের দেশ।
xv. জেরুসালেম, শলোমনের মন্দির, প্রতিশ্রুত ভূমি বিজয়।
৪.১.১.২. মোজাইক অথরশিপের বিপক্ষে যুক্তি
কোন দাবীর পক্ষে ও বিপক্ষে তর্ক করা হয়ে থাকে। আগের অংশে মোজাইক অথরশিপের পক্ষের আর্গুমেন্টগুলোর দূর্বলতা দেখানো হয়েছে। খ্রিস্টানদের উপরে বার্ডেন অফ প্রুফ রয়েছে মোশিকে লেখক প্রমান করার। তারা ব্যর্থ তাদের দাবি প্রমানে। অবস্থা এখন অজ্ঞেয়তা। কিন্তু মোশি যে লেখক না এই দাবীর পক্ষে শক্তিশালী আর্গুমেন্ট রয়েছে। আমরা আমাদের আর্গুমেন্টগুলোকে দুইভাগে ভাগ করব। এক্সটার্নাল আর ইন্টার্নাল। এক্সটার্নালে মুলত "আর্গুমেন্ট ফ্রম সাইলেন্স" পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করা হবে। যদিও ফ্যালাসিয়াস মনে হতে পারে কিন্তু আর্গুমেন্টের যৌক্তিকতা সেল্ফ-এভিডেন্ট। কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই তার পক্ষে পজিটিভ আর্গুমেন্ট আনা সম্ভব না।
৫৫ টাকার নোট নেই প্রমান করুন
মোশি যে লেখক না প্রমান করুন
উভয়ক্ষেত্রে আমি এটা দেখাতে বাধ্য না যে এগুলোর অস্তিত্ব নেই। কারন তা সম্ভব না। থাকার পক্ষে প্রমান দেখানো সম্ভব। কেউ যদি থাকার পক্ষে প্রমান না দেখাতে পারে তবে অবস্থা ফিফটি-ফিফটি।
এক্সটার্নাল সমস্যা
১। ইহুদীদের কাছে তোরাতের লেখকের ইসনাদ নেই।
তোরাত যে মোশির লেখা এই সর্বপ্রথম দাবীদার খ্রিস্টানরা না, বরং ইহুদিরা। খ্রিস্টানদের উৎপত্তির বহু আগে ইহুদিরা মোশিকে তোরাতর লেখক হিসাবে বিশ্বাস করে আসছে।
তোরাতর লেখক যে মোশি বহু সময় পরে খ্রিস্টানদের উৎপত্তি হয়েছে। তোরাত যে মোশির লেখা তা খ্রিস্টানরা আবিষ্কার করেননি। এই দাবী করেন ইহুদিরা। কিন্তু তাদের এই দাবী ব্যক্তি পরস্পরায় মোশি বা তার সমসাময়িক কারো কাছে পৌছায় না। মোশি তার পুরো তোরাত কমপ্লিট করার পরে কার কাছে তোরাত ছিল? যোশুয়ার কাছে? নাকি পুরো ইস্রায়েলী জাতির কাছে? অথচ বুক অফ যোশুয়ায় মোশির এত বড় কর্মের সামান্যতম কিছু উল্লেখ করা হয়নি। প্রকৃতপক্ষে আমাদের কাছে মোশির সমসাময়িক সময় এবং তার পরের কয়েক শতাব্দীর এ বিষয়ে কোন রেকর্ড নাই। যেখানে তোরাত বা ইহুদীদের সাহিত্যে তোরাত আর মোশির কানেকশান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখন এটা আমাদের পক্ষ থেকে আর্গুমেন্ট ফ্রম সাইলেন্স হয়ে যাচ্ছে। মানে জাস্ট বিকজ আমাদের কাছে কোন লিখিত ডকুমেন্টস নাই মোশির সময় থেকে এর মানে এই না যে এমন কিছু হয়নি বা হতে পারে না। হয়তো হয়েছে, আমাদের কাছে লিখিত প্রমান এসে পৌছায়নি সিম্পলি। এটা সত্য কিন্তু আমাদের পয়েন্ট তাও সত্য। ইহুদিদের কাছে কোন সুত্র পরস্পরার প্রমান নাই। এখন এই অনস্তিত্বের কারন হয়তো সব রেকর্ড হারিয়ে গিয়েছে অথবা কখনো ছিলই না।
২। মোশি বা তার সমসাময়িক সময় থেকে তোরাতের কোন ম্যানুস্ক্রিপ্ট আর আর্কিওলজিকাল প্রমান পাওয়া যায় না।
তোরাতের সর্বোচ্চ প্রাচীন ম্যানুস্ক্রিপ্ট আর মোশির সময়ের মধ্যকার গ্যাপ অকল্পনীয়। সরাসরি তোরাতের ম্যানুস্ক্রিপ্ট বাদেও প্রাচীন কোন আর্টিফ্যাক্ট আর আর্কিওলজিকাল প্রমান নাই যা তোরাতের অস্তিত্ব প্রমান করে এই সময়ের মাঝে। কিংবা মোশি যে তোরাত লিখেছে সে দাবি সমর্থন করে।
ইন্টারনাল সমস্যা
উপরের আলোচনা ছিল বাহ্যিক:এক্সটার্নাল বিষয়গুলো নিয়ে যেগুলো প্রমান করে তোরাত মোশির লিখিত না। এখন সরাসরি তোরাতের মধ্য থেকে আলোচনা করা হল। এখানে দেওয়া সব পয়েন্ট কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী কিংবা সেল্ফ এভিডেন্ট না। বরং ছোট ছোট পয়েন্ট যা আমাদের মূল থিসিসকে শক্তিশালী করে, আর তা হল মোশি তোরাত লেখেননি। পুরো তোরাত বা এর বাহিরে এমন একটাও শক্তিশালী আর্গুমেন্ট নেই যা প্রমান করে মোশি তোরাতের লেখক, কিন্তু এর বিপরীতে অসংখ্য প্রমান রয়েছে মোশির পরের কেউ তোরাতের লেখক।
(ক) তোরাহ অজ্ঞাতনামা।
তোরাহর পাঁচ বইয়ে লেখকের প্রকৃত পরিচয় কোনভাবে দেওয়া হয়নি। না মোশি, না অন্য কেউ। না আগের, না পরের সময়ের কাউকে এর লেখক দেখানো হয়েছে। মোশির সাথে তোরাহকে সম্পর্কিত করার জন্য খ্রিস্টানদের কাছে ভিত্তিহীন ইহুদী ট্রাডিশন ও অত্যন্ত দূর্বল নন-সেকুইটার আর্গুমেন্ট বাদে কিছু নেই। লক্ষনীয়, ডকুমেন্টে লেখকের নাম সরাসরি না থাকলে লেখকের পরিচয় জানা যাবে না এমন দাবী সত্য না— এবং এমন দাবী করাও হচ্ছে না এখানে।
বাইবেলের অধিকাংশ বইয়ের মত তোরাহের পাঁচ বইয়ের কোথাও লেখক সম্পর্কে কোন কিছু বলা হয়নি। যেমন কে লেখক? কখন লেখছেন? কোন উদ্দেশ্যে লেখছেন? বইটা কী ঈশ্বরের অনুপ্রেরনায় লিখছেন নাকি? ইত্যাদি প্রশ্ন সম্পর্কে তোরাত নিশ্চুপ। এই অজ্ঞাতনামা বইয়ের লেখক হিসেবে মোশিকে চিত্রিত করার কোন ইন্টারনাল প্রমান নাই। বরং এর বিপক্ষে একাধিক প্রমান আছে। the reader of Genesis would have no reason to imagine Moses, or any other named person, as the author (or transcriber) of the book.
(খ) লেখকের পরিচয়ের প্রতি প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।
সরাসরি প্রত্যক্ষভাবে নিজের পরিচয় দেওয়া ছাড়াও পরোক্ষভাবে কোথাও জানানো হয়নি যে মোশি তোরাতের লেখক। মোশি তো দূরে থাক পুরো পাঁচ পুস্তকে কোন লেখকের নাম উল্লেখ নাই। পুরো তোরাততে স্পষ্ট-অস্পষ্ট কোনভাবেই এর রচয়িতার পরিচয় দেওয়া হয়নি।
- যেমন পরোক্ষভাবে উল্লেখ করা হয়নি মোশি ইশ্বরের আদেশে তোরাত লিখেছেন।
- কিংবা যোশুয়া বা বিচারকের মত বইও এ বিষয়ে নিশ্চুপ।
- তোরাতে মোশির অন্য অনেক লেখার বর্ণনা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু তোরাতের মত বিশাল বই লেখার কোন প্রমাণ নেই।
- আরো মজার বিষয় হল, তোরাত জেনেসিস থেকে শুরু হলেও এক্সোডাসে প্রথম মোশির উল্লেখ পাওয়া যায়। যদি মোশি প্রকৃতপক্ষেই লেখক হতেন তবে তার উল্লেখ আর বাকি সব ক্যারেক্টারের মত হত না। তোরাততে এর লেখকের পরিচয় কোনভাবে দেওয়া হয়নি যা থেকে এর লেখকের পরিচয় জানা যায় এর রচনা ধরন থেকে বুঝা যায় যে এর এর লেখক মোশি না। পুরো তোরাতের ভাষা একই এবং একই টোনে লেখা । সৃষ্টির শুরু থেকে মোশির পূর্বের সব ইতিহাসের বর্ণনা আর মোশির নিজস্ব জীবনের মাঝে কোন পার্থক্য নাই। এটা অসাম্ভব্য। তোরাত শুধু নিজেকে এভাবে প্রেজেন্ট করেনি যে থার্ড পার্টি মোশিকে নিয়ে লিখেছেন বরং এটাও সুস্পষ্ট যে এটা মোশির সময় পরে লেখা হয়েছে। যদি কেউ জেনেসিস থেকে দ্বিতীয় বিবরণী পর্যন্ত পড়ে তবে এটাই মনে হবে এর লেখক পরবর্তী সময়ের কেউ যে সৃষ্টির শুরু থেকে মোশির মৃত্যু পর্যন্ত ইতিহাস লিখছেন। কিন্তু এটা মনে হবে না যে এর লেখক এই বইয়েরই একজন চরিত্র (মানে মোশি)। বইয়ের ফ্লো ছাড়াও আরো অনেক ছোটখাটো তথ্য রয়েছে যা প্রমান করে তোরাত মোশির পরের সময়ে লিখা হয়েছে।
- তোরাতে আদম থেকে শুরু করে মোশির মৃত্যুর পর্যন্ত ঘটনা লিপিবদ্ধ কাছে। এবং পুরোটাই তৃতীয় ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। এই পয়েন্ট মাইনর পয়েন্ট কারন এমন না যে মোশি বা অন্য যেকোন লেখক থার্ড পার্সন ন্যারেটিভে তাদের বায়োগ্রাফি লিখতে পারবেন না। কিন্তু লেখক যখন মোশি না তখনও কিন্তু থার্ড পার্সন ন্যারেটিভেই লেখা হবে। তাই এই পয়েন্ট থেকে আমাদের দাবী শক্তিশালী হয় যে মোশি না বরং অন্য কেউ এর লেখক। যাত্রাপুস্তক, লেবীয়, গণনাপুস্তক, দ্বিতীয় বিবরণী এই চার পুস্তকে প্রায় ৬০০ বারের মত মোশিকে থার্ড পারসন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ডাকা হয়েছে। (যেমন: মোশি বলেন বা সদাপ্রভু মোশিকে বললেন ইত্যাদি)। এই ধরনের ভাষা থেকে বুঝা যায় যে তোরাতর লেখক মোশি নয়, বরং থার্ড পার্টি কেউ যিনি মোশিকে আর বাকি সব নবী ও প্যাট্রিয়টদের মত বর্ণনা করেছেন ।এই পয়েন্টটা ততটা শক্তিশালী না। কারন মোশি চাইলেই থার্ড পার্সনে লেখতে পারেন। কিন্তু লেখক যদি মোশির পরের কেউ হোন তবে তিনিও কিন্তু এরকম থার্ড পার্সনেই লিখবেন। প্রত্যক্ষ প্রমান না হলেও পরোক্ষ প্রমান যে এর লেখক মোশি বাদে অন্য কেউ। কারন মোশির জন্য নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা বেশি যৌক্তিক। মিশর থেকে বের হয়ে চল্লিশ সালের এই দীর্ঘ পথ চলার মাঝে কিন্তু মোশিকে তোরাত লিখতে হয়েছে [যদি উনি লিখে থাকেন আরকি]। মানবিক দাবী অনুযায়ী উনার নিজের পার্সোনাল এক্সপিরিয়েন্স আর ইমোশন ফুটে উঠায় স্বাভাবিক। অথচ কোথাও আমরা মোশির নিজস্ব স্বকীয়তা দেখতে পায় না আমরা।
(গ) নিজে কেউ নিজের প্রসংশা করে না।
তোরাতে মোশির প্রসংশা করা হয়েছে যা মোশি এর লেখক হলে লেখতে পারতেন না। মোশি লেখক হলে নিজের ব্যাপারে এমন কথা বলতেন না
Now the man Moses was very humble, more so than anyone else on the face of the earth. (Num ১২:৩; NRSV)
এই ভার্সে থার্ড পার্টি ভিউ থেকে মোশির প্রশংসা করা হয়েছে। যেকোন নিরপেক্ষ মানুষ এটা মানবে যে কোন বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ নিজের বিষয়ে এভাবে বর্ণনা করবে না। বরং এ ধরনের প্রশংসা শুধু তৃতীয় পক্ষ থেকে আসা সম্ভব। গণনাপুস্তকে এই ভার্সের উপস্থিতি প্রমান করে যে এর লেখক মোশি নয়, বরং মোশি বাদে অন্য কেউ যিনি মোশিকে অনেক সম্মান করেন।
(ঘ) ইশ্বর অনুপ্রাণিত বই মানুষের লেখা বই ব্যবহার করেছে?
"Wherefore it is said in the book of the wars of the Lord, What he did in the Red sea, and in the brooks of Arnon" (গণনাপুস্তক ২১ : ১৪)
এখানে তোরাহের লেখক নন-বিবলিকাল উৎসের রেফারেন্স টেনে তার বক্তব্য প্রমানের চেষ্টা করেছেন। যা থেকে প্রমানিত হয় যে এর লেখক ইশ্বরের অনুপ্রাণিত মোশি না বরং পরবর্তী সময়ের কেউ যা এ ধরনের বিভিন্ন উৎস ব্যবহার করেছেন। এখন বাস্তবে উক্ত বইয়ের অস্তিত্ব ছিল কিনা তা অন্য বিতর্ক কিন্তু লক্ষ্যনীয় হল যে তোরাতর লেখক এইসব বইয়ের রেফারেন্স এজন্যই টেনেছেন যে উনি জানতেন তার সমসাময়িক লোকজন এই ধরনের সোর্সের সাথে পরিচিত এবং তার পুস্তককে আরো বেশি ঐতিহাসিকভাবে একুরেট আর গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।
এর কোন বৈশিষ্ট্যই মোশি আর তার সমসাময়িক মানুষদের সাথে যায় না। বনী ইস্রায়েল দুই শতাব্দীর বেশি মিশরে নির্যাতিত হওয়ার পরে জর্দান প্রান্তরে চল্লিশ বছরে ধরে পথহারা হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাদের সাথে the book of the wars of the lord ছিল না যা থেকে মোশিকে উদ্ধৃত করে ইস্রায়েলীয়দের বুঝাতে হবে।
(ঙ) ইশ্বর যে মোশিকে পুরো তোরাহ লেখতে বলেছেন তার উল্লেখ নেই।
লেখকের পরিচয় সম্পর্কে তোরাত নিশ্চুপ এবং কোথাও বলা হয়নি যে এর রচয়িতা হলেন মোশি। তবে স্বয়ং তোরাতই অনেক প্যাসেজ উল্লেখ করেছেন যাতে বলা হয়েছে মোশি ইশ্বরের আদেশে অনেক কিছু লিপিবদ্ধ করেছেন (যেমন: কোন বিশেষ ঘটনা, ইশ্বরের আঈন)। লক্ষনীয় হল, মোশির অন্যান্য ছোট ছোট ঘটনা লিপিবদ্ধ করার বর্ণনা তোরাততে জায়গা পেয়েছে কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব যে স্বয়ং তোরাতর লিপিবদ্ধের ঘটনা অনুপস্থিত! অথচ ইহুদী-খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করে যে স্বয়ং ইশ্বরের আদেশে মোশি এগুলো লিখেছেন। একটা মত অনুযায়ী, চল্লিশ সাল ধরে অল্প অল্প করে মোশি এগুলো লিখেছেন। নিচের প্যাসেজগুলো দেখেন:
Exod ১৭:১৪ Then the LORD said to Moses: “Write this as a reminder in a book and recite it in the hearing of Joshua (...)
Exod ২৪:৩ Moses came and told the people all the words of the LORD and all the ordinances… ২৩:৪ And Moses wrote down all the words of the LORD…
Deut ৩১:৯ Then Moses wrote down this law, and gave it to the priests, the sons of Levi, who carried the ark of the covenant of the LORD, and to all the elders of Israel.
Exod ৩৪:২৮ He was there with the LORD forty days and forty nights; he neither ate bread nor drank water. And he wrote on the tablets the words of the covenant, the ten commandments.
Num ৩৩:২ Moses wrote down their starting points, stage by stage, by command of the LORD…
Deut ৩১:২২ That very day Moses wrote this song and taught it to the Israelites.
এই ভার্সসমূহ থেকে সুস্পষ্ট যে মোশি ইশ্বরের আদেশে অনেক কিছু লিখেছেন যা তোরাতর লেখক লিপিবদ্ধ করতে দ্বিধাবোধ করেননি। তাহলে এটাও কি স্বাভাবিক না যে মোশির পুরো তোরাত লেখার ঘটনাও বর্ণনায় আসবে?
(চ) পোস্ট-মোজাইক ইভেন্ট।
তোরাততে এমন সব তথ্য রয়েছে যা মোশির পক্ষে বা তার সমসাময়িক কারো পক্ষে লেখা অসম্ভব। এখানে তোরাতের বিভিন্ন প্যাসেজ বিশ্লেষণ করে দেখানো হবে এসবের লেখক মোশির অনেক পরের কেউ।
i. মান্না বন্ধ হওয়া।
ii. মান্নার স্বাদ কেমন ছিল।
iii. মোশির মৃত্যু
iv. মোশির কবর "আজ পর্যন্ত" কেউ জানে না।
v. উটের ব্যবহার
vi. সদাপ্রভুর যুদ্ধের বইয়ের ব্যবহার।
৭। ওগের লৌহ বিছানা
৮। ড্যান শহর
৯। তোরাতের লেখকের সময়ে কেনানীয়দের অস্তিত্ব ছিল না, কিন্তু মোশির সময়ে ছিল।
১০। মোশির কয়েক শতাব্দী পরে ইস্রায়েলে রাজাদের শাসন শুরু হলেও তোরাতের লেখক এ সম্পর্কে জানতেন।
১১। Deut ৩৪:১০: "Never since has there arisen a prophet in Israel like Moses, whom the LORD knew face to face." - বাক্য প্রমান করে এর লেখক মোশির সময়ের অনেক পরের কেউ।
১২। তোরাতের লেখক মোশির বিপরীতে জর্দানের অপর পাশে বাস করতেন।
১৩। মাউন্ট সিরের জয় হয় মোশির পরে অথচ তোরাততে এর উল্লেখ থাকা
১৪। ইউসুফের সময়ে হিব্রুদের দেশ
১৫। তোরাতের লেখক প্রতিশ্রুত ভূমি বিজয়ের ঘটনা জনতেন। যা মোশির মৃত্যুর পরে ঘটেছে। জেরুসালেম, শলোমনের মন্দির।
পয়েন্ট ০১: মান্না আসা মোশির মৃত্যুর পরে বন্ধ হয় অথচ তা তোরাতে লেখা।
[৩৫] বনি-ইসরাইলেরা চল্লিশ বছর, যে পর্যন্ত বসতি-এলাকায় উপস্থিত না হল, সেই পর্যন্ত সেই মান্না ভোজন করলো; সেই দেশের সীমাতে উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত তারা মান্না খেতো। (যাত্রাপুস্তক ১৬:৩৫)
[৯] পরে মাবুদ ইউসাকে বললেন, আজ আমি তোমাদের কাছ থেকে মিসরের দুর্নাম গড়িয়ে দূর করে দিলাম। আর আজ পর্র্যন্ত সেই স্থানের নাম গিল্গল [গড়ানো] বলে আখ্যাত হয়েছে। [১০] বনি-ইসরাইল গিল্গলে শিবির স্থাপন করলো; আর সেই মাসের চতুর্দশ দিনের সন্ধ্যাবেলা জেরিকোর সমভূমিতে ঈদুল ফেসাখ পালন করলো। [১১] সেই ঈদুল ফেসাখের পরের দিন তারা দেশে উৎপন্ন শস্য ভোজন করতে লাগল, সেই দিনে খামিহীন রুটি ও ভাজা শস্য ভোজন করলো। [১২] আর সেই দিন তাদের দেশে উৎপন্ন শস্য ভোজনের পর থেকে মান্না নিবৃত্ত হল; সেই সময় থেকে বনি-ইসরাইল আর মান্না পেল না, কিন্তু সেই বছরে তারা কেনান দেশের ফল ভোজন করলো। (যোশুয়া ৫:৯-১২)
যোশুয়া ৫:৯-১২ থেকে জানা যায় যে মান্না আসা বন্ধ হয় যখন যোশুয়া:যোশুয়া যখন ইস্রায়েলীয়দের নিয়ে কেনান দেশে প্রবেশ করে আর কেনানে উৎপন্ন শস্য খায়। এসব ঘটে মোশির মৃত্যুর পরে ফলে মান্না বন্ধ হওয়ার সম্পর্কে মোশির পক্ষে জানা ও যাত্রাপুস্তকে লেখা সম্ভব না। অথচ যাত্রাপুস্তক ১৬:৩৫ নির্দিষ্টভাবে জানাচ্ছে কত বছর আর কোন অবস্থাতে মান্না আসা বন্ধ হচ্ছে।
পয়েন্ট ৩: মোশির মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাসমূহ
(ক) তোরাতে মোশির মৃত্যুর বর্ণনা থাকা
[১] পরে মূসা মোয়াবের উপত্যকা থেকে নবো পর্বতে, জেরিকোর সম্মুখস্থিত পিস্গা-শৃঙ্গে উঠলেন। আর মাবুদ তাঁকে সমস্ত দেশ, দান পর্যন্ত গিলিয়দ, [২] এবং সমস্ত নপ্তালি, আর আফরাহীম ও মানশার দেশ এবং পশ্চিম সমুদ্র পর্যন্ত এহুদার সমস্ত দেশ, [৩] এবং দক্ষিণ দেশ ও সোয়র পর্যন্ত খেজুর-নগর জেরিকোর উপত্যকার অঞ্চল দেখালেন। [৪] আর মাবুদ তাঁকে বললেন, আমি যে দেশের বিষয়ে শপথ করে ইব্রাহিমকে, ইস্হাককে ও ইয়াকুবকে বলেছিলাম, আমি তোমার বংশকে সেই দেশ দেব, এ-ই সেই দেশ; আমি সেটি তোমাকে চাক্ষুষ দেখালাম, কিন্তু তুমি পার হয়ে ঐ স্থানে যাবে না। [৫] তখন মাবুদের গোলাম মূসা মাবুদের কথা অনুসারে সেই স্থানে মোয়াব দেশে ইন্তেকাল করলেন। [৬] আর মাবুদ মোয়াব দেশে বৈৎ-পিয়োরের সম্মুখস্থ উপত্যকাতে তাঁকে কবর দিলেন; কিন্তু তাঁর কবরস্থান কোথায় আজও কেউ জানে না। [৭] মৃত্যুর সময়ে মূসার বয়স একশত বিশ বছর হয়েছিল। তাঁর চোখ ক্ষীণ হয় নি ও তাঁর তেজও হ্রাস পায় নি। [৮] পরে বনি-ইসরাইল মূসার জন্য মোয়াবের উপত্যকায় ত্রিশ দিন কান্নাকাটি করলো; এভাবে মূসার শোক-প্রকাশের দিন সমপূর্ণ হল। [৯] আর নূনের পুত্র ইউসা বিজ্ঞতার রূহে পরিপূর্ণ ছিলেন, কারণ মূসা তাঁর উপরে হস্তার্পণ করেছিলেন; আর বনি-ইসরাইল তাঁর কথায় মনোযোগ করে মূসার প্রতি মাবুদের হুকুম অনুসারে কাজ করতে লাগল। [১০] মূসার মত কোন নবী ইসরাইলের মধ্যে আর উৎপন্ন হয় নি; মাবুদ তাঁর সঙ্গে মুখো-মুখি হয়ে আলাপ করতেন। [১১] বস্তুত মাবুদ তাঁকে পাঠালে তিনি মিসর দেশে, ফেরাউনের, তাঁর সমস্ত গোলামের ও তাঁর সমস্ত দেশের প্রতি সমস্ত রকম চিহ্ন-কাজ ও অদ্ভুত লক্ষণ দেখালেন! [১২] এবং সমস্ত ইসরাইলের দৃষ্টিতে মূসা পরাক্রমশালী ও ভয়ঙ্করতার কত না কাজ করেছিলেন! (দ্বিতীয় বিবরণ ৩৪:১-১২)
দ্বিতীয় বিবরণীর শেষ অধ্যায় রাব্বানিকাল লেখনীতে বেশ আলোচিত অধ্যায় যেহেতু মোশির মৃত্যুর ঘটনা মোশির পক্ষে লেখা সম্ভব না। উনারা যে এটুকু স্বীকার করেছেন এটাই কম কিসের! তাদের এ সমস্যার সলুশন হল যোশুয়া বা অন্য কোন ভাববাদী এই শ্লোকগুলো যুক্ত করেছেন। মানে দিন শেষে এগুলোও ঐশ্বরিক। অবশ্যই এই দাবী হাওয়া থেকে করা এবং কোন যুক্তি:শাস্ত্র দ্বারা প্রমানিত না। শুধু সমস্যার সমাধান করা লাগবে তাই কিছু একটা জবাব দেওয়া। পুরো বিবলিকাল এপোলোজেটিক এরকম। স্রেইফ জিজ্ঞাসা করুন যে যোশুয়া বা অন্য কোন ভাববাদী যে ইশ্বরের আদেশে মোশির মৃত্যু সংযোগ করেছে এটা কোথায় পেয়েছে বা এর প্রমান কি? কোন উত্তর প্রমানভিত্তিক জবাব নেই।
আবার লক্ষনীয় যে, বর্ণনাগুলো সব অতীতকাল ক্রিয়ায় লেখা। মোশি যদি শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করতেন তবে তার জন্য স্বাভাবিক হত যে তিনি ভবিষ্যৎকাল ক্রিয়ায় লিখবেন। যেমনঃ মোশি এত সাল বাচঁবেন এবং মারা যাবেন। কেউ তার সমাধিস্থল মনে রাখবেন না ইত্যাদি। কিন্তু অতীতকালের ব্যবহার থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে লেখক পরবর্তী সময়ের কেউ। এবং আমরা শীঘ্রই দেখব যে এই "পরবর্তী সময়ের কেউ" যোশুয়া বা অন্যকোন ভাববাদী ছিল বলে মনে করার কোন কারন নেই।
(খ) মোশির সমাধিস্থল "আজ পর্যন্ত" কেউ জানে না।
[৫] তখন মাবুদের গোলাম মূসা মাবুদের কথা অনুসারে সেই স্থানে মোয়াব দেশে ইন্তেকাল করলেন। [৬] আর মাবুদ মোয়াব দেশে বৈৎ-পিয়োরের সম্মুখস্থ উপত্যকাতে তাঁকে কবর দিলেন; কিন্তু তাঁর কবরস্থান কোথায় আজও কেউ জানে না। (দ্বিতীয় বিবরণ ৩৪:৫-৬)
যেখানে মোশির মৃত্যু উল্লেখ থাকা মোশিকে তোরাতের লেখক হওয়া থেকে বাদ দেয় সেখানে ষষ্ঠ শ্লোক প্রকৃত লেখক আর মোশির মাঝের দূরত্বকে নির্দেশ করে। আরো প্রমান করে যে যোশুয়া এই প্যাসেজের লেখক হতে পারেন না কোনভাবেই। যোশুয়া বা তৎকালীন যেকোন ইস্রায়েলী মোশির সমাধিস্থলের অবস্থান সম্পর্কে অবগত। ফলে এই ভাষা এখানে ব্যবহার করা শুধু অযৌক্তিক না, বরং অসম্ভব। তোরাতের লেখক শত শত বছর পরের কেউ যার সময়ে সবাই মোশির সমাধিস্থলের অবস্থান ভুলে গেছে।
যদি এই প্যাসেজের লেখক মোশি হোন তবে “মোশির কবর আজ পর্যন্ত কেউ জানে না।” বলার কোন অর্থ হয় না। কারন “আজ পর্যন্ত” বাক্যাংশটি আবশ্যিকভাবে প্রমান করে যে ঘটনা ঘটার একটা দীর্ঘ সময় পরে লেখা হচ্ছে। এটা সেলফ এভিডেন্ট। যারা মোশিকে সমাধিত করেছিলেন তারা অবশ্যই মোশির সমাধিস্থল সম্পর্কে জানত। এবং আশা করা যায় তাদের পরের প্রজন্মের বনী ইস্রায়েলীয়রাও মোশির সমাধিস্থল সম্পর্কে অবগত ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সামগ্রিকভাবে বনী ইস্রায়েলদের মধ্যে থেকে এই জ্ঞান বিলুপ্ত হতে থাকে। সময়ের সাথে আবার মোশির সমাধিস্থলের আশেপাশের ভূখণ্ড বদলে যায়, ইতিহাসের অন্ধকারে হারিয়ে যায়। ফলে একটা সময়ে বনী ইস্রায়েলীয়রা মধ্যে কেউই আর মোশির সমাধিস্থল সম্পর্কে অবগত থাকেন না। এই কনটেক্সটে বলা সম্ভব যে “কিন্তু তাঁর কবরস্থান কোথায় আজও কেউ জানে না।” অন্যদিকে মোশি যদিও ঐশ্বরিকভাবে নিজের মৃত্যুর খবর জানতেন তার জন্য লেখা এই বাক্য সম্ভব হত না। তারচেয়ে ভাল প্রশ্ন হল এ বিষয়ে মোশিকে কিছু লেখতেই বা কেন হবে।
(গ) আজ পর্যন্ত ইস্রায়েলীয়দের মধ্যে মোশির মত কোন ভাববাদী উৎপন্ন হয়নি।
[১০] মূসার মত কোন নবী ইসরাইলের মধ্যে আর উৎপন্ন হয় নি; মাবুদ তাঁর সঙ্গে মুখো-মুখি হয়ে আলাপ করতেন। (দ্বিতীয় বিবরণ ৩৪:১-১২)
একই প্যাটার্ন আর একই সমস্যা এখানেও। মোশি নিজে এরকম বাক্য লিখবেন না যে তার মত কোন নবী উৎপন্ন হবে না বা হয়নি।
যোশুয়া আর মোশির মধ্যে সময় পার্থক্য এত কম যে যোশুয়ার পক্ষে এরকম কিছু লেখা সম্ভব না। মোশি আর যোশুয়ার মধ্যে কোন প্রজন্ম নাই যে মোশির মত ভাববাদী আসবে বা যোশুয়াকে এ নিয়ে মন্তব্য করতে হবে।
এটা শুধু তখনই সম্ভব যখন তোরাতের প্রকৃত লেখক অনেক পরের কেউ আর উনি অনেক ইস্রায়েলীয় ভাববাদী সম্পর্কে অবগত যাতে তিনি মোশির সাথে তুলনা দিতে পারেন।
Why Joshua Cannot Be the Torah's Author
ব্যাবিলনীয় তালমুদে আছে যে এই প্যাসেজগুলো মোশির শিষ্য যোশুয়া লিখেছেন। কিন্তু এই প্যাসেজ বা পুরো ওল্ড টেস্টামেন্টে কোথাও এমন কিছু বলা হয়নি যা থেকে প্রতীয়মান হয় যে যোশুয়া (বা অন্য কোন ভাববাদী) এই প্যাসেজগুলো লিখেছেন। ইহুদী র্যাবাইরা যোশুয়াকে এই প্যাসেজের লেখক বলেন কারন যোশুয়া হল মোশির সাক্কেসর এবং মোশি ও যোশুয়ার মধ্যে সময়ের পার্থক্য কম। অথচ, দ্বিতীয় বিবরণ ৩৪:৯ শ্লোকে দেখা যায় মোশির মৃত্যুর পরে যোশুয়ার কাজকর্ম তৃতীয় ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা হয়েছে। আবার এ দিকেই ইঙ্গিত দেয় যে অন্য কেউ এসব লেখছে। Moreover, the continuation of this passage makes clear that the author cannot be Joshua or anyone who lived at that time। (৩৪:১০). The sentence is in past tense. This evaluation only makes sense if offered by someone living much later than Moses, who can look back and say that since Moses, never has his equal arisen. It would be just as absurd for Joshua to make such a claim as it would be for Moses.
পয়েন্ট ৪: অন্য সোর্সের উল্লেখ থাকা।
[১০] পরে বনি-ইসরাইল যাত্রা করে ওবোতে শিবির স্থাপন করলো। [১১] আর ওবোৎ থেকে যাত্রা করে সূর্যোদয়ের দিকে মোয়াবের সম্মুখস্থিত মরুভূমিতে ইয়ী-অবারীমে শিবির স্থাপন করলো। [১২] সেখান থেকে যাত্রা করে সেরদ উপত্যকাতে শিবির স্থাপন করলো। [১৩] সেখান থেকে যাত্রা করে আমোরীয়দের দেশের সীমা থেকে বের হয়ে অর্ণোনের অন্য পারে মরুভূমিতে শিবির স্থাপন করলো; কেননা মোয়াবের ও আমোরীয়দের মধ্যবর্তী অর্ণোন মোয়াবের সীমা। [১৪] এজন্য মাবুদের যুদ্ধ-বিবরণী কিতাবে [the Book of the Wars of the Lord] উক্ত আছে, শূফাতে বাহেব, আর অর্ণোনের সমস্ত উপত্যকা, [১৫] এবং উপত্যকাগুলোর পাশের ভূমি, যা আর্ নামক লোকালয়ের অভিমুখী এবং মোয়াবের সীমার পাশে অবস্থিত। (গণনাপুস্তক ২১:১০-১৫)
এটা মূলত ইন্টার্নাল সমস্যার (ঙ) নং পয়েন্টের পুনরাবৃত্তি। সেখানে আমি ব্যাখ্যা করেছি কেন মোশির পক্ষে এমন বই ব্যবহার করা কেন সামঞ্জস্যপূর্ণ না। এখানে আমি ব্যাখ্যা করব কেন এটা পোস্ট-মোজাইক মানে মোশির পরের এলিমেন্ট। এখানে তোরাতর লেখক নন-বিবলিকাল উৎসের রেফারেন্স টেনে তার বক্তব্য প্রমানের চেষ্টা করেছেন। যা থেকে প্রমানিত হয় যে এর লেখক ইশ্বরের অনুপ্রাণিত মোশি না বরং পরবর্তী সময়ের কেউ যা এ ধরনের বিভিন্ন উৎস ব্যবহার করেছেন। এখন বাস্তবে উক্ত বইয়ের অস্তিত্ব ছিল কিনা তা অন্য বিতর্ক কিন্তু লক্ষ্যনীয় হল যে তোরাতর লেখক এইসব বইয়ের রেফারেন্স এজন্যই টেনেছেন যে উনি জানতেন তার সমসাময়িক লোকজন এই ধরনের সোর্সের সাথে পরিচিত এবং তার পুস্তককে আরো বেশি ঐতিহাসিকভাবে একুরেট আর গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।
এর কোন বৈশিষ্ট্যই মোশি আর তার সমসাময়িক মানুষদের সাথে যায় না। বনী ইস্রায়েল দুই শতাব্দীর বেশি মিশরে নির্যাতিত হওয়ার পরে জর্দান প্রান্তরে চল্লিশ বছরে ধরে পথহারা হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাদের সাথে মাবুদের যুদ্ধ-বিবরণী কিতাবে ছিল না যা থেকে মোশিকে উদ্ধৃত করে ইস্রায়েলীয়দের বুঝাতে হবে।
পয়েন্ট ৭: বাশানের রাজা দৈত্য ওগের বিছানা
[১] পরে আমরা ফিরে বাশনের পথে চললাম; তাতে বাশনের বাদশাহ্ উজ এবং তাঁর সমস্ত লোক আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য বের হয়ে ইদ্রিয়ীতে আসলেন। [২] তখন মাবুদ আমাকে বললেন, তুমি ওকে ভয় করো না, (...) [৩] এভাবে আমাদের আল্লাহ্ মাবুদ বাশনের বাদশাহ্ উজ ও তাঁর সমস্ত লোককে আমাদের হাতে তুলে দিলেন; তাতে আমরা তাঁকে এমন আঘাত করলাম যে তাঁর কেউ অবশিষ্ট থাকলো না। [৪] সেই সময়ে আমরা তাঁর সমস্ত নগর অধিকার করলাম; এমন একটা নগরও থাকলো না, যা তাদের থেকে নেই নি; ষাটটি নগর, অর্গোবের সমস্ত অঞ্চল, বাশনস্থ উজের রাজ্য নিলাম। (...) [১০] আমরা সমভূমির সমস্ত নগর, সল্খা ও ইদ্রিয়ী পর্যন্ত সমস্ত গিলিয়দ এবং সমস্ত বাশন, বাশনস্থিত উজ-রাজ্যের নগরগুলো হস্তগত করলাম। [১১] ফলত অবশিষ্ট রফায়ীয়দের মধ্যে শুধু বাশনের বাদশাহ্ উজ অবশিষ্ট ছিলেন; দেখ, তাঁর পালঙ্ক লোহার তৈরি; তা কি অম্মোনীয়দের রব্বা নগরে নেই? মানুষের হাতের পরিমাণানুসারে তা লম্বায় নয় ও চওড়ায় চার হাত। (দ্বিতীয় বিবরণ ৩:১-১১)
[১১] (Now only King Og of Bashan was left of the remnant of the Rephaim. In fact his bed, an iron bed, can still be seen in Rabbah of the Ammonites. By the common cubit it is nine cubits long and four cubits wide.) (Deuteronomy ৩:১১ NRSV)
দ্বিতীয় বিবরণের তৃতীয় অধ্যায়ে মোশি বাশানের রাজা ওগকে যুদ্ধে পরাজিত করে হত্যা করেন এবং তার রাজ্যসমূহ জয় করেন (এখানে গণহত্যা আর ধ্বংস আরকি)। ওগের পরাজয়ের পরে আরো কিছু যুদ্ধে জয়লাভ করেন এবং ওগ সম্পর্কে লেখেন যে রফায়ীয়দের মধ্যে শুধু বাশনের রাজা ওগ অবশিষ্ট ছিল শুধু। অন্যরা আগেই পরাজিত হয়েছে। এবং ওগের সাথে যুদ্ধে জয়লাভের সত্যতা যাচাই করার জন্য মোশি পাঠকদের অম্মোনীয়দের রব্বা নগরে রাখা ওগের বিশালাকার বিছানা দেখে আসতে বলছে। মানে মোশি বলছে ওগের বিছানা অম্মোনীয় নগরীতে আছে।
এখন এই শ্লোক মোশির পক্ষে লেখা সম্ভব না। মোশি অন্যান্য ইস্রায়েলীদের সাথে নিয়ে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ওগকে পরাজিত করেছে। স্বাভাবিকভাবেই তোরাতের পাঠক হিসাবে মোশি এইসব ইস্রায়েলী আর তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে কল্পনা করেই লিখবেন। ফলে এখানে মোশির জয়ের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ওগের বিছানা পর্যবেক্ষণ করে আসার প্রয়োজনীয়তা কি যখন ইস্রায়েলীয়রা যুদ্ধ এবং ওগের মৃত্যু নিজের চোখে দেখেছে। দ্বিতীয়ত, ওগের বিছানা আম্মোনীয়দের রাব্বাহ নগরে থাকাটাও একটা অসম্ভব ব্যাপার কারন তখনও এটাকে ওগের প্রাসাদে থাকা উচিত। এত কম সময়ে বাশান থেকে ওগের বিছানা আম্মোনীয়দের রাব্বাহতে গেল কিভাবে? তৃতীয়ত,কোন কারনে ওগের বিছানা আম্মোনীয়দের রাব্বাহ নগরে থাকলেও সেটা দেখতে যাওয়ার প্রস্তাবনা মোশি করে কিভাবে যখন আম্মানদের ভূমি তখনও জয় করেনি ইস্রায়েলীয়রা। বরং তিনশ' বছর পরে রাজা দাউদের সময়ে আম্মোন জয় করা হয় (২ শমুয়েল ১২:২৬)। তখনকার লেখক সহজেই এই প্রস্তাবনা দিতে পারে যে মোশির বিজয়ের প্রমান এখনও রাব্বাহতে সংরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। তাছাড়া In fact, this verse would probably have been written after Israel conquered Rabbah under David otherwise how could its author have seen the bed অন্যদিকে মোশির এমন চিন্তা করার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই।
এখন মনে হতে পারে আম্মোন জয় না হলেও কিংবা আম্মোনে ইস্রায়েলীয়রা প্রবেশ করতে পারবে না এর মানে এই না যে মোশি সাজেস্ট করতে পারবে না মিউজিয়াম টুরের জন্য। The text refers to Og's enormous bed as being in the capital city of Ammon, Rabbah. How did it get there? Would it not have been in Og's palace in the Bashan, now Israelite territory? This implies that the author is living at a much later time, and that the bed has somehow made its way from the Bashan to Rabbah and is on display there for any who care to see.[৩৫]
পয়েন্ট ৮: ড্যান পর্যন্ত তাড়া করা
জেনেসিসের ১৪ তম অধ্যায় অনুযায়ী কোন এক যুদ্ধে আব্রামের ভাতিজা লোটের বন্দী হওয়ার বিবরণ রয়েছে। আব্রাম তার সশস্ত্র ধারকদের ৩১৮ জনকে নিয়ে লোটের উদ্ধারে যান এবং শত্রুদের "ড্যান পর্যন্ত তাড়া করেছিলেন" (আদিপুস্তক ১৪:১৪)। এখন ড্যান স্পষ্টতই আব্রামের সময়ে বা মূসার সময়ে বিদ্যমান ছিল না।
ড্যান শহরটির প্রকৃত নাম হল লাইশ। এবং "প্রতিশ্রুত ভূমি" তথা কেনান জয় করার সময়ে ইস্রায়েল এই শহরটিও দখল করেন এবং ইস্রায়েলের গোত্র ড্যানের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ড্যান। (বিচারকগণ ১৮: ২৭-২৯)। লাইশ বিজয় আর এর ড্যান নামকরণ ইত্যাদি সব ঘটে মোশির মৃত্যুর পরে। ফলে তোরাততে ড্যানের উল্লেখ থাকা অসম্ভব।
পয়েন্ট ৯: তোরাতর লেখকের সময়ে কেনানীয়দের অস্তিত্ব ছিল না কিন্তু মোশির সময়ে ছিল।
আব্রাম কেনান দেশে প্রবেশ করেন যখন “the Canaanites were in the land” (Gen ১২:৬; ১৩:৭) মানে কেনানীয়রা ঐ দেশে বাস করত। এখানে অতীতকালে কেনানীয়দের সম্বোধন করা হয়েছে। এই ভাষা থেকে বুঝা যায় লেখকের সময়ে সে দেশে কেনানীয়রা আর বাস করত না। লেখকের জন্য কেনানীয়রা হল অতীত। অথচ বাইবেল অনুযায়ী কেনান দেশ মোশির মৃত্যুর পরে বিজয় হয়।
অর্থাৎ, যদি মোশি তোরাতর লেখক হতেন তবে এই বাক্যে অতীতকাল ব্যবহার করতেন না। কারন তার সময়ে কেনানীয়রা তখন সেদেশেই ছিল। বরং মোশির মৃত্যুর পরে তোরাত লেখা হয়েছে যখন কেনানীয়দের অস্তিত্ব আর ছিল না। ফলে এর লেখক অতীতকাল ব্যবহার করেছেন।
পয়েন্ট ১০: ইস্রায়েলের রাজাদের শাসনামল শুরু হওয়ার আগে ইস্রায়েলের রাজাদের প্রসঙ্গ তোরাততে।
Gen ৩৬:৩১ These are the kings who reigned in the land of Edom, before any king reigned over the Israelites.
ইস্রায়েল নবী ও ভাববাদীদের দ্বারা শাসিত হত প্রথমে। তবে এরপরে ভাববাদীদের বদলে ইশ্বর তাদের জন্য রাজা নিযুক্ত করেন। প্রথম রাজা ছিলেন শৌল (saul)। এ সব কিছুই হয় মোশির মৃত্যুর পর, কেনান জয়ের পর, ইস্রায়েলে বসতি গড়ার পরে। অতএব, মোশি যদি সত্যিকার অর্থে তোরাতর লেখক হতেন তবে তিনি ইস্রায়েলে কোন রাজার শাসন ব্যবস্থা নিয়ে কিছু বলতেন না। ২০২৫ সালের কোন বইয়ে কি ২৫০০ সালের শাসনব্যবস্থা নিয়ে কোন কিছু লেখা থাকবে বলে মনে হয়? অসম্ভব। তোরাতর লেখক ইস্রায়েলের প্রথম রাজা saul এর পরের অথবা সমসাময়িক লোক।
In Genesis ৩৬ a list of Edomite kings is given and it is said: And these are the kings that reigned in the land of Edom, before there reigned any king over the children of Israel (৩৬: ৩১ ). It was some five hundred years after the death of Moses before Saul became the first king (১০৯৫ B.C.); hence Genesis could not have been written by Moses, or by any one until after the time when there were kings over Israel so that such a comparison could be possible.
পয়েন্ট ১১: মোশির মত কোন ভাববাদী উৎপন্ন হয়নি ইস্রায়েলীয়দের মধ্যে।
Deut ৩৪:১০: "Never since has there arisen a prophet in Israel like Moses, whom the LORD knew face to face."
এই বাক্য প্রমান করে এর লেখক মোশির সময়ের অনেক পরের কেউ। এই ভার্স না স্বয়ং মোসোজর পক্ষে, না যোশুয়ার পক্ষে লেখা সম্ভব।
পয়েন্ট ১২: জর্ডানের ওপর পাশে ইস্রায়েলীরা।
Deut ১:১ These are the words that Moses spoke to all Israel beyond the Jordan…
উপরের প্যাসেজে তোরাহের লেখক মোশির বক্তব্যের সময়ে ইস্রায়েলীয়দের ভৌগলিক অবস্থান কোথায় ছিল তা বর্ণনা করছেন। লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ইস্রায়েলীয়রা জর্ডানের ওপাশে ছিল। অর্থাৎ লেখক ইতিমধ্যে জর্ডানের মধ্যে মানে কেনানের মধ্যে ছিল যা মোশি কখনো করেননি। মোশি আর ইস্রায়েলীয়রা যদি জর্ডানের ওপাশে থাকেন তবে লেখক বিপরীত পাশে থাকতে বাধ্য না হলে ইস্রায়েলীয়দের পক্ষে "জর্ডানের ওপাশে" থাকা সম্ভব হত না। আপনি যদি ভারত-বাংলাদেশের বর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন যে অমুক বর্ডারের অপর পাশে আছে তাহলে আপনি কি বিপরীত পাশে থাকছেন না?
পয়েন্ট ১৩: মাউন্ট সিরের জয় হয় মোশির পরে অথচ তোরাততে এর উল্লেখ থাকা।
[১২] The Horites previously lived in Seir, but the sons of Esau dispossessed them and destroyed them from before them, and settled in their place; just as Israel did to the land of their possession which the Lord gave them. (Deuteronomy ২:১২ NASB২০২০)
লেখক এখানে সিস-জর্ডানের কনকুয়েস্ট বর্ণনা করছেন অতীতের ঘটনা হিসেবে। ফলে লেখক অবশ্যই মোশি হতে পারেন না। লেখক অবশ্যই পরবর্তী প্রজন্মের কেউ যার সময়ে এগুলো ইতিমধ্যে ঘটে গেছে।
The Land Israel Took— Moses' description of his command to the Israelites to pass by the Moabites is interrupted by a description of how the Moabites and Edomites settled. Looking at the final verse of this remark describing the latter group there is a very surprising comment:
Deut ২:১২ Moreover, the Horim had formerly inhabited Seir, but the descendants of Esau dispossessed them, destroying them and settling in their place, as Israel has done in the land that YHWH gave them as a possession.
Clearly, whoever wrote this verse did so after the settlement of the Israelites and not in the time of Moses.
The Conquest that Happened – When describing the history of Mount Seir, Deuteronomy writes:
Deut ২:১২ Moreover, the Horim had formerly inhabited Seir, but the descendants of Esau dispossessed them, destroying them and settling in their place, as Israel has done in the land that the LORD gave them as a possession.
The author describes the conquest of the Cisjordan as something that happened in the past; by definition, this must have been written after the settlement period.
পয়েন্ট ১৪: যোসেফের সময় হিব্রুদের ভূমি।
[১৫] For I was in fact kidnapped from the land of the Hebrews, and even here I have done nothing that they should have put me into the dungeon.” (Genesis ৪০:১৫ NASB২০২০)
এখানে যোসেফ (ইউসুফ) বলছেন যে তাকে “হিব্রুদের দেশ” থেকে অপহরণ করে মিসরে নিয়ে আসা হয়েছে। অথচ যোসেফের সময়ে প্যালেস্টাইন:ইস্রায়েল কেনানদের দেশ ছিল এবং কেবলমাত্র যোশুয়ার সময়ে তা ইস্রায়েলীয়দের দখলে আসে। ফলে যোসেফ কিংবা মোসেজের পক্ষে কেনানদের দেশকে “হিব্রুদের দেশ” বলে ডাকা অসম্ভব। বরং তোরাতের লেখক হল মোসেজের শতাব্দী পরের কেউ যার সময়ে ঐ ভূমিতে ইতিমধ্যে ইস্রায়েলীয়দের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং “হিব্রুদের দেশ” নামে সমসাময়িকদের কাছে পরিচিত।
পয়েন্ট ১৫: মোশির সময়ে শলোমনের মন্দিরের বর্ণনা।
But the significant proof of long post-Mosaic authorship is in these anachronic strophes of the Song: "Thou shalt bring them in, and plant them in the mountain of thine inheritance, in the place, O Yahveh, which thou hast made for thee to dwell in, in the Sanctuary, O Yahveh, which thy hands have established" (১৫: ১৭ ). This mountain was Zion, at Jerusalem, and the sanctuary was Solomon's temple; and Jerusalem did not come into the hands of the Chosen until partly captured by David. The temple was built by his son Solomon, some five hundred years after the so-called Song of Moses at the Red Sea, wherein these things are spoken of as already existing. So this reputed Song of Moses was written centuries after the death of Moses.
পয়েন্ট ১৬: মাউন্ট মোরিয়ার অস্তিত্ব।
Whence the Present Saying” (Genesis ২২:১৪)
And Abraham named that site YHWH-Yireh, whence the present saying, “On the mount of YHWH there is vision.”
“the Mount of the Lord” is Mount Moriah, upon which the Temple was built, as is written in Chronicles (২ Chron. ৩:১). Now Moses never wrote in the Torah which mountain [the Temple would be built on], he only wrote “the place which the Lord will choose” (Deut. ১২:১১). This implies that Moses did not know which mountain it would be, since [God] did not reveal its name until the days of David. So how could [Moses] say here that “on the Mount of the Lord there is vision”, which implies that Moses knew [that this was the mountain.]
On the Lord's Mountain – After the binding of Isaac, Abraham names the spot “Adonai-Yireh” (“The Lord will Provide”, Gen ২২:১৪), which is why, the author tells us, “it is said to this day, 'On the mount of the LORD it shall be provided.'” This refers to a popular ancient Israelite saying about Mount Moriah,[৩১] which would only make sense after the construction of the Solomonic Temple. This implies that the author of the Pentateuch lived no earlier than the time of Solomon.[৩২]
.
পয়েন্ট ১৭: আজ পর্যন্ত বাশানকে হাভোথ-জাইর বলে থাকা হয়।
"Yair the Manassite acquired the whole region of Argob… and he named them– that is, Bashan– after himself, Havvoth-jair, as it is to this very day." [Deut ৩:১৪]
ইয়াইরের (Yair) বাশান দখল করার রেফারেন্স রয়েছে Numbers ৩২:৪১ -এ। কিন্তু এই শ্লোক যদি মোশির জীবনকালে বা মোশির দ্বারা লেখা হয়ে থাকে তবে "আজ পর্যন্ত" এই জায়গাকে হাভভোত ইয়াইর বলা হয় বলার মানে হয় না, যেখানে এই ঘটনা ঘটেছেই কিছু সপ্তাহ আগে।
এ বাদেও একজন এই শ্লোক বিচারক ১০:৩-৪ শ্লোকের সাথে সাদৃশ্যতা অদেখা করতে পারে না।
Judg ১০:৩ "After him came Yair the Gileadite, who judged Israel twenty-two years. ১০:৪ He had thirty sons who rode on thirty donkeys; and they had thirty towns, which are in the land of Gilead, and are called Havvoth-jair to this day."
It appears that the author of this gloss lived long after Yair the judge, but believed—like the editor of Numbers but unlike the editor of Judges—that he lived during the time of the Israelite conquest of the Bashan.
===========================================================
Evaluating Authorship without Special-Pleading
The above evidence shows that the Torah's author is not Moses. This author or these authors must have lived in the Cisjordan no earlier than the time of King Saul (the Edomite Kings List) or even Solomon (the saying about Mount Moriah). Granted, some traditional commentators have attempted to reinterpret some of these texts, saying, for instance, that Moses was the first king of Israel,[৩৬] or that Moses was consciously writing “as if” he lived in the Cisjordan, where the Israelites were soon to go. Nevertheless, to quote Archer, this is “special-pleading.”
The Author of the Torah Continues Beyond the Pentateuch
Reading the Pentateuch as stopping after Deuteronomy is arguably artificial. If it weren't for the traditional claim that Moses wrote the Torah only, and that the Torah was canonized by Jews (and Samaritans) as separate from the prophetic books, it would certainly be possible to argue that the same anonymous authorial voice continues into Joshua,[৩৭] and perhaps even Judges, Samuel and Kings. This is actually the view of some contemporary scholars, who refer to this whole complex as the Primary History or the Enneateuch (meaning “nine scrolls”).
And so, if we take the Pentateuch seriously, it is clear that all it claims is to be privy to some sources written by Moses, and to knowledge of discourse between Moses and God, or Moses and Israel, just as it does with Abraham, Jacob, Noah, etc. Certain traditions may claim Moses as its author, and thus suggest a ১৩th century date, but this does not come from the Pentateuch itself; if anything, it flies in the face of the Pentateuch's self-presentation.
Anonymity Is a Common Feature of Ancient Near Eastern Literature
It is worth emphasizing that we often do not know the names of the authors of literary masterpieces from the world of the Bible. For example, the Mesopotamian Epic of Gilgamesh, replete with its flood account, is anonymous.[৩৮] We do not know who composed it originally, nor do we know how long it was transmitted orally before it was written. And the Mesopotamian creation account known as Enuma Elish is also anonymous.
The great Ugaritic epics known as Ba'al, Kirta, and Aqhat are all anonymous. Ilimilku was a scribe who copied this text, but he did not author it. Similarly, the Middle Kingdom Egyptian Prophecy of Neferti contains a number of first-person quotations, but Neferti is referred to in the third person, thus, not the author of this tremendous piece of literature.
Along those same lines, you can read the canonical New Testament gospels (Matthew, Mark, Luke, and John) from beginning to end and nowhere in any of them will you find a statement declaring authorship. That is, these too are anonymous (the names that we use for the gospels are second century in origin, and not from the gospels themselves).
In short, the Pentateuch is in pretty good company, as many of the great masterpieces of the ancient Near Eastern world are anonymous. Beautiful, deeply meaningful, and moving, but anonymous.
===============
===============
৪.১.২. যোশুয়া
২.১. যোশুয়াকে লেখক মনে করার খ্রিস্টীয় লজিক
২.২. যে কারনে যোশুয়া লেখক না
+ ইন্টারনাল সমস্যা
(ক) যোশুয়ার বইয়ে কোথাও এর লেখকের নাম বা পরিচয় দেওয়া হয়নি।
(খ) যোশুয়ার মৃত্যুর পরবর্তী ঘটনার উল্লেখ থাকা যা অবশ্যই যোশুয়া লিপিবদ্ধ করতে পারেন না।
+ এক্সটার্নাল সমস্যা
১। ইহুদীদের কাছে থাকা যোশুয়ার বইয়ের লেখকের চেইন অগ্রহণযোগ্য।
২। যোশুয়া বা তার সমসাময়িক সময় থেকে যোশুয়ার বইয়ের কোন ম্যানুস্ক্রিপ্ট পাওয়া যায় না।
+ শেষকথা
.
.
ক
৪। ড্যানিয়েল
ওল্ড টেস্টামেন্টের অন্যান্য অনেক অজ্ঞাত বইয়ের চেয়ে ড্যানিয়েলের ভিন্নতা হল এই যে এর লেখক নিজেকে ড্যানিয়েল হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। ড্যানিয়েলের ভাষ্য অনুযায়ী এর লেখক হলেন ড্যানিয়েল নামক ইহুদি যিনি ব্যবিলনে নির্বাসিত হোন। এবং রয়াল কোর্টে চাকুরি লাভ করেন। এসব ঘটনা হল ষষ্ঠ খ্রিষ্টপূর্ব শতাব্দীর, অতএব বইটার রচনাকালও দাঁড়াবে ষষ্ঠ খ্রিষ্টপূর্ব শতাব্দী। আর এমনটাই দাবী ইহুদি-খ্রিস্টান ট্রাডিশনের। কিন্তু সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে এর লেখক আর রচনাকাল সম্পুর্ন ভিন্ন। ড্যানিয়েলের পুস্তকটি লেখা হয়েছে দ্বিতীয় খ্রীস্টপূর্ব শতাব্দীতে (এবং এর কিছু অংশ তারচেয়েও প্রাচীন) এবং অবশ্যই এর লেখক ভাববাদী ড্যানিয়েল না। বরং ম্যাকাবীয় বিদ্রোহের সময়ে অজ্ঞাত ইহুদী প্রপাগান্ডিশের রচনা। এখন প্রথমে আমরা ড্যানিয়েলের ট্রাডিশনাল অথরশিপের বিপক্ষে প্রমান দেখব। তারপরে এপোলজেটিকদের কাউন্টার আর্গুমেন্ট নিয়ে আলোচনা করব। বিসমিল্লাহ....
৪.১. অথরশিপের বিপক্ষে।
এই পয়েন্টগুলো ভালোভাবে অনুধাবনের জন্য প্রথমে ড্যানিয়েল বইটি পড়েন কিংবা প্রথম অধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত বিবরনে চোখ বুলিয়ে নেন। ড্যানিয়েলের দুইটি সমস্যা:
ক) ঐতিহাসিক ক্রুটি যা ট্রাডিশনাল লেখকের পক্ষে ভুল করা অসম্ভব।
খ) ভবিষ্যদ্বানীর ক্ষেত্রে ক্রুটি।
৪.১.১. ঐতিহাসিক ক্রুটি।
(০১)
৫। যিশাইয়
যিশাইয়া
৬।
৩। প্রোভার্ব
This is similar to what we find in Proverbs (25:1): “These are also proverbs of Solomon, which the men of Hezekiah king of Judah copied.” If Solomon wrote this book, how could Hezekiah—someone who was born generations later—be mentioned? Rather, the work was passed on among them, person to person, going back to Solomon, and this is why although [Hezekiah’s men] wrote it, it is attributed to Solomon.
The book of Malachi is anonymous; Malachi is just a transliteration of the Hebrew words for “my messenger.”
After Jesus of Nazareth was executed and traditions about his resurrection began to be circulated, texts that would become part of what we now know as the New Testament began to circulate. The earliest of these were the letters of Paul to the churches that he established during his missionary journeys, which were probably written between around 48 to 64 CE. We’ll talk in chapter 2 about some of the letters that are traditionally attributed to